Designed by shamsuddin noman

Skip to Content

অহিংস এমপি কিরনের ওপর সহিংস হামলা জনগণ মানবে না বেগমগঞ্জ আওয়ামী রাজনীতিতে অশনি সংকেত

অহিংস এমপি কিরনের ওপর সহিংস হামলা জনগণ মানবে না বেগমগঞ্জ আওয়ামী রাজনীতিতে অশনি সংকেত

Closed

বিশেষ প্রতিবেদক
নোয়াখালীর বেগমগঞ্জ উপজেলা আওয়ামী রাজনীতিতে অশনি সংকেত চলছে। মুক্তিযুদ্ধের মহান চেতনায় উজ্জীবিত করে বাংলাদেশকে একটি আধুনিক উন্নয়নশীল রাষ্ট্রে মডেল হিসেবে উন্নীত করে জননেত্রী, ১৪ দলীয় নেত্রী জাাতির জনক বঙ্গবন্ধু কন্যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা যখন আজ বিশ্ব নেতৃত্বের কাতারে দাঁড়িয়ে অদূর ভবিষ্যতে আধুনিক শিল্পোন্নত সোনার বাংলাদেশ গড়ার স্বপ্ন দেখছেন তখন উন্নয়নের বিকল্প রাজনৈতিক কর্মসূচী ব্যতীত কেবলমাত্র গতানুগতিক ক্ষমতার চেঁয়ারে ম্যান বদলের রাজনীতিতে বিরোধী দলগুলো যখন আন্দোলনের নামে প্রতিহিংসাপরায়নে মরিয়া হয়ে উঠছে এমনি এক জাতীয় রাজনীতির পরিমন্ডলে একদিকে যখন স্বাধীনতা ও মুক্তিযুদ্ধ বিরোধী অপশক্তি পুনরায় মাথাঝাড়া দিয়ে উঠার চেষ্টায় লিপ্ত, অপরদিকে যে কোন অপশক্তি প্রতিরোধ করে মুক্তিযুদ্ধের মহান চেতনা, বাঙালী জাতীয়তাবাদ, অসাম্প্রদায়িকতা, গণতন্ত্র ও সমাজ প্রগতির রাজনীতির আদর্শিক সমমনা দল ও মহল আজ যখন একই লাল সবুজের পতাকা তলে সমবেত হওয়ার ঐতিহাসিক তাগিদ আসছে তখন নোয়াখালীর ঐতিহ্যবাহী বেগমগঞ্জ উপজেলা আওয়ামী রাজনীতির অভ্যন্তরীণ ক্ষমতার নীরব দ্বন্ধ-সংঘাত সম্প্রতি প্রকাশ্য রূপ লাভ করেছে। এই দ্বন্ধ সংঘাত শুরু হয়েছে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার উন্নয়ন, উৎপাদন ও সমৃদ্ধির রাজনীতির একান্ত ধারক বাহক বর্তমানে নোয়াখালী ৩ বেগমগঞ্জ আসনের এমপি মামুনুর রশিদ কিরণকে ঘিরে। ব্যক্তিগতভাবে একজন সহজ-সরল উদার নৈতিক ও অহিংস গরীবের বন্ধুসুলভ মনোভাবের এমপি মামুনুর রশিদ কিরণ দীর্ঘদিন থেকে আওয়ামী পরিবারের সন্তান হিসেবে ধারাবাহিক রাজনীতিতে গড়ে উঠেছেন। এর সাথে যোগ হয়েছে তাঁর পারিবারিক দীর্ঘ দিনের ব্যবসায়িক সৌভাগ্যবান ইমেজ, সুনাম ও জনপ্রিয়তা। তাঁর স্বভাব সুলভ সাধাসিধে আচার-আচরণ যাকে নিয়ে এসেছে আওয়ামী রাজনীতির বাহিরে ও ব্যক্তি মামুনুর রশিদ কিরণ হিসেবে জনপ্রিয়তার শীর্ষে। আগামী সংসদ নির্বাচনে এখনো পর্যন্ত বেগমগঞ্জে আওয়ামী পরিবারে প্রার্থী হিসেবে কেবলমাত্র তিনিই তাঁর একমাত্র প্রতিদ্বন্ধী হিসেবে মনে করেন দলের অধিকাংশ তৃণমূলের নেতাকর্মীরা। এমতাবস্থায় আগামী নির্বাচনে ১৪ দল তথা আওয়ামীলীগকে এ আসনে জিতিয়ে আনতে হলে এমপি মামুনুর রশিদ কিরণের বিকল্প নেই।
গত সোমবার আওয়ামীলীগ নেতা আনছারীর ওপর সন্ত্রাসী হামলার প্রতিবাদে বেগমগঞ্জ উপজেলা আওয়ামীলীগ আয়োজিত প্রতিবাদ সভায় চৌমুহনী পৌর মেয়র ফয়সালের সমর্থকদের নগ্ন হামলা এবং সংসদ সদস্য মামুনুর রশীদ কিরণকে লক্ষ্য করে চেয়ার ছুঁড়ে মারা কিসের আলামত বহন করে? যে বেগমগঞ্জে ছিল বিএনপির দুর্গ সেখানেই আজ আওয়ামী লীগ শক্তিশালী অবস্থানে মামুনুর রশীদ কিরণের গত দুই যুগের অহিংস রাজনীতির কারণে। বেগমগঞ্জে অহিংসা রাজনীতির প্রবক্তা মামুনুর রশীদ কিরণকে হত্যার লক্ষ্যে ২০০৩ সালের ২২ ডিসেম্বর বোমা হামলাসহ বিভিন্ন সময়ে যেসব হামলা হয়েছিল তার সাথে এ হামলার যোগসূত্র আছে কিনা তা খুঁজে বের করতে হবে। বঙ্গবন্ধুকে বিএনপি জামায়াতের কেউ খুন করেনি। ঠিক তেমনি সংসদ সদস্য মামুনুর রশীদ কিরণকে কারা বারবার সরিয়ে দিতে চাচ্ছে তাদেরকে চিহ্নিত করতে হবে। ২০০৮ সালের নির্বাচনে জয়লাভের পথে থাকলেও মামুনুর রশীদ কিরণের বিজয় ছিনিয়ে নিতে যারা বিএনপি প্রার্থীকে সহায়তা করেছিল তারাই সোমবারের হামলার ইন্ধানদাতা বলে রাজনীতিক অঙ্গনে ভেসে বেড়াচ্ছে। অনেকে মনে করেন, এ হামলার নৈপথ্যে সুকৌশলে কাজ করছে আওয়ামী বিরোধিরা। তারা চায় না, তাদের বিপরীতে মামুনুর রশীদ কিরণের মতো শক্তিশালী প্রার্থী। এ আসনে আওয়ামীলীগের যেই প্রার্থী হোক না কেন একমাত্র মামুনুর রশীদ কিরণ ছাড়া কেহই বিএনপি প্রার্থী বরকত উল্লাহ বুবুর প্রাপ্ত ভোটের ধারে কাছেও যেতে পারবে না। সোমবারের ঘটনায় কেন্দ্রীয় আওয়ামীলীগ তদন্ত করবে বললেও আদৌ তা হবে কিনা বা যারা হামলায় জড়িত তা চিহ্নিত হবে কিনা সন্দেহ রয়েছে।
বেগমগঞ্জে এমপি কিরনের পারিবারিক ব্যবসায়িক বিভিন্ন শিল্প প্রতিষ্ঠানের কারণে তাঁর যে সাধারণ ভোট ব্যাংক রয়েছে তা অন্য কারো নেই। তাই তাঁকে ঘিরে বেগমগঞ্জে আওয়ামী রাজনীতির যে বটবৃক্ষের ছায়া ইতিমধ্যে গড়ে উঠেছে তা দলীয় অভ্যন্তরীণ বিরোধে কেবলমাত্র হিংসার বশবর্তী হয়ে কেটে ফেলার চেষ্টা হবে আওয়ামী রাজনীতির জন্য আত্মঘাতী স্বরূপ। এই মুহুর্তে তাঁর পাশে তাঁর বিশ্বস্ত ও অভিজ্ঞতালব্ধ যে সকল রাজনীতিক নেতা রয়েছেন হঠাৎ করে তাঁদের উপর হামলা পরিকল্পিতভাবে এমপি কিরণকে বিশ্বস্ত বন্ধু ও মেধাহীন করার অপচেষ্টাই মনে হয় সাধারণ জনগণের নিকট, যাহা অহিংস এমপি কিরণের বিরুদ্ধে সহিং হামলা বলেই মনে করে আওয়ামীলীগের তৃণমূল নেতাকর্মী ও সাধারণ জনগণ।

Previous
Next