Designed by shamsuddin noman

Skip to Content

আধুনিক রাজধানী গঠনে শেখ হাসিনা বেছে নিলেন নোয়াখালীর সন্তানকে নোয়াখালী’র আনিসুল হক দেশের অহংকার

Closed

 
প্রতিবেদক : অবশেষে স্বপ্নপূরণের পথে ঢাকা সিটি কর্পোরেশনের নির্বাচন। দীর্ঘদিন যাবৎ বন্ধ থাকার পর মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর অনুমোদনে অবশেষে হতে যাচ্ছে নগরবাসীর কাঙ্খিত এই নির্বাচন। সীমানা নির্ধারণের জটিলতায় থাকার কারণে একের পর এক ঘোষণা দেওয়ার পরও নির্বাচনটি বিলম্বিত হয়। যাই হোক, একটু দেরি হলেও দ্বার খুলেছে নির্বাচনের বাতায়ন। নগরবাসীর মাঝেও তাই অনেকটা যেন ঈদের আমেজ। রাজনীতিক দলগুলো ইতিমধ্যেই তাদের পছন্দের প্রার্থীকে বেঁছে নিয়ে নির্বাচনী মাঠ গরম করতে প্রস্তুত। নেতা-কর্মী সহ সর্বত্রই তাই সাজ সাজ রব।
ক্ষমতাসীন আওয়ামীলীগ ও তার শরীক দলের পক্ষ থেকে প্রার্থী প্রায় চূড়ান্ত। উত্তর-দক্ষিনে প্রার্থী হিসেবে নতুন মুখ এনে দিয়ে নগরবাসীদের দিয়েছে এক অভিনব চমক। প্রার্থী হিসেবে তাই মনোনয়ন দিয়েছেন ক্লিন ইমেজের ব্যক্তিদের। দক্ষিনে – আওয়ামীলীগের এক সময়ের বর্ষীয়ান নেতা ও সাবেক নগর পিতা মোঃ হানিফের ছেলে সাঈদ খোকন ও উত্তরে ব্যবসায়ী সমাজের মধ্যমনি, পরিচ্ছন্ন রাজনীতিবিদ মোঃ আনিসুল হক’কে। উত্তর-দক্ষিনের এই নির্বাচনকে নিয়ে চলবে আমাদের ধারাবাহিক প্রতিবেদন। আমাদের আজকের প্রতিবেদন ঢাকা উত্তর সিটি নির্বাচনে আওয়ামীলীগ দলীয় মনোনীত প্রার্থী মোঃ আনিসুল হক’কে নিয়ে।
একটা দেশের মেরুদন্ড হলো তার অর্থনীতি। বাংলাদেশের অর্থনীতির সূর্য সন্তান বলা হয় যাকে তিনিই হলেন এই আনিসুল হক। যার কারন, বাংলাদেশের শীর্ষ ব্যবসায়ী সংগঠন এফবিসিসিআই’র বিগত সময়ে সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করে বাংলাদেশের অর্থনীতিক গতির চাকা সচল করে দিয়েছেন। তার ধারাবাহিকতা ও সুফল ইতিমধ্যে দেশবাসী পেতে শুরু করেছে। কেননা, বর্তমানে বাংলাদেশের জিডিপি ৬.৫ এ উন্নীত হয়েছে। যা অতীতের সব রেকর্ডকে পিছনে ফেলে দিয়েছে। দায়িত্ব পালনকালে ব্যবসায়ীদের জন্য তিনি যে কাঠামো সৃষ্টি করে দিয়েছেন তার উপরেই আজ ব্যবসায়ী সমাজ প্রতিষ্ঠিত। অহংকার, লোভ, হিংসার উর্ধ্বে থেকে তিনি নিজেকে সাজিয়েছেন সম্পূর্ণ ব্যতিক্রমভাবে। যার কারনে ব্যবসায়ী নেতৃবৃন্দের কেউ কখনও তার প্রশংসা ছাড়া দূর্ণাম করতে পারেনি। এ কথা এক বাক্যে সব ব্যবসায়ী মহল স্বীকার করে।
সাধারণ মানুষের প্রতি রয়েছে তার অন্যরকম ভালবাসা। গরীব-অসহায়দের মাঝে তিনি কখনও নিজেকে বড় কিছু বলে জাহির করেননি। তাঁর কাছাকাছি যে একবার গিয়েছে এরকম হাজার হাজার লোকের কাছে তিনি অসাধারণ মানুষ হিসেবেই চিহ্নিত হয়েছেন।
রাজনৈতিক জীবনে তিনি বঙ্গবন্ধুর অনুসারীই ছিলেন সেই ছোট বেলা থেকেই। দলীয় পদ পদবীর জন্য দলের ভিতর বিভাজন সৃষ্টি করেননি। যার কারণে বঙ্গবন্ধুর আদর্শকে বুকে নিয়ে নিজেকে আজ প্রতিষ্ঠিত করেছেন সম্পূর্ণ ব্যতিক্রমভাবে। দল থেকে কিছু নেয়া নয় বরং দলকে দেয়ার মনমানসিকতাই ছিলো তার। যার প্রতিদান হিসেবেই বঙ্গবন্ধুর সুযোগ্য কন্যা উত্তরের জন্য বেছে নিয়েছেন এই নির্লোভ ব্যক্তিকেই।
সামাজিক, সাংস্কৃতিক অঙ্গনে মোঃ আনিসুল হক’র দান অনুদান সর্বজনবিদীত।
অন্যদিকে বিশিষ্ট এই ব্যক্তিকে মনোনয়ন দেয়ায় তার পৈত্রিক জন্মস্থান নোয়াখালীতেও বইছে আনন্দের বন্যা। ঢাকাস্থ নোয়াখালীবাসীরাও দারুন খুশি তাদের প্রিয় এই মানুষটিকে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী ঢাকা উত্তরের নগর পিতা হিসেবে মনোনয়ন দিয়েছেন।
এখানে উল্লেখ্য, ঐতিহাসিক সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে ঢাকাস্থ নোয়াখালীবাসীদের মিলনমেলা ‘নোয়াখালী উৎসব’র প্রধান পৃষ্ঠপোষক ছিলেন তিনি। যদিও অনিবার্য কারণে অনুষ্ঠানটি স্থগিত হয়। রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা আসলে যে কোন সময় তারিখ ঘোষণা হতে পারে উক্ত অনুষ্ঠানটির। বলে রাখা ভালো, ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশন এলাকায় প্রায় ১০ লক্ষ নোয়াখালীবাসীর বসবাস ও স্থানীয় ভোটার। সেই সুবাদে ওখানকার নোয়াখালীবাসীরা দলমত নির্বিশেষে আজ ঐক্যবদ্ধ তাদের প্রাণপ্রিয় এই নেতাকে ঘিরে। দলমত নির্বিশেষে তিনি নোয়াখালীবাসীদের প্রিয় ব্যক্তিত্ত্ব ও আস্থাভাজন। তার প্রমান এই নোয়াখালী উৎসবকে ঘিরে দেখা গেছে। নোয়াখালী কেন্দ্রিক বিএনপি’র শীর্ষ পর্যায়ের নেতারাও নোয়াখালী উৎসবের প্রধান পৃষ্ঠপোষক হিসেবে সম্মতি ও সমর্থন দিয়ে তাদের সামনে নিয়ে এসেছেন তাকে। এক কথায়, নোয়াখালীবাসীরা আজ গর্বিত।
পরিশেষে, ব্যবসায়ী সমাজের মধ্যমণি, সৎ ও আদর্শিক গুণাবলীর অধিকারী মোঃ আনিসুল হক জনপ্রতিনিধি হয়ে ঢাকা উত্তরের চেহারাই পাল্টে দিবে বলে ঢাকা উত্তরবাসী আশাবাদী।

Previous
Next