Designed by shamsuddin noman

Skip to Content

খোকার বাড়ির দখল নিলো সরকার

খোকার বাড়ির দখল নিলো সরকার

Closed

প্রতিবেদকঃ jamunanews24-com_khokar-bariঢাকার সাবেক মেয়র ও বিএনপির ভাইস-চেয়ারম্যান সাদেক হোসেন খোকার গুলশানের ছয়তলা বাড়িটি দখলে নিয়েছে সরকার।

রোববার দুপুরে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট হোসনে আরা পুলিশের সহযোগিতায় সরকারের পক্ষে খোকার বাড়িটি আনুষ্ঠানিকভাবে দখলে নেন।

এর আগে বিচারিক আদালতের নির্দেশে গত ২২ সেপ্টেম্বর গুলশান ২ নম্বর সেক্টরের ৭২ নম্বর সড়কের ৯ নম্বর হোল্ডিংয়ের ৫ কাঠা জমি ওপর নির্মিত খোকার ছয়তলা ভবনে বাজেয়াপ্তের নোটিশ ঝুলিয়েছিলেন ঢাকার জেলা প্রশাসক।

ওই সময় বাড়ির ভাড়াটিয়ারা মালামাল নিয়ে সরে যেতে এক মাসের সময় নেন। ইতোমধ্যে ওই সব ভাড়াটিয়া অন্যত্র চলে গেছেন। এই সংবাদ পেয়ে সরকার রোববার গুলশানের ওই বাড়িটির দখল নেয়। ৫ কাঠা জমিসহ বাড়িটির মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে ২ কোটি ৪৭ লাখ ৬০ হাজার টাকা।

সংশ্লিষ্ট সূত্র মতে, বাড়িটিতে ভাড়াটিয়া হিসেবে ছিল একটি বায়িং হাউজ। তাদের বিদেশি অতিথিদের থাকার জন্য ব্যবহার করা হতো বাড়িটি।

বাড়িটির সিকিউরিটি মানি হিসেবে জমা নেওয়া হয় ৫০ লক্ষাধিক টাকা। কিন্তু এখনও ভাড়াটিয়াকে অগ্রিম জমা নেয়া ওই ৫০ লাখ টাকা ফেরত দেননি সাবেক মেয়র সাদেক হোসেন খোকা।

বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ভাড়াটিয়ার আইনজীবী অ্যাডভোকেট জাফরুল হাসান শরীফ।

তিনি সাংবাদিকদের বলেন, বাড়িটির ভাড়াটিয়ারা বাংলাদেশের আইনের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। আদালতের আদেশে সরকার সাদেক হোসেন খোকার এ বাড়িটি বাজেয়াপ্ত করার পর ভাড়াটিয়ারা বাড়িটি ছাড়ার জন্য এক মাস সময় নিয়েছিলেন আদালতের কাছ থেকে।

আজ রোববার এক মাস পূর্তি হলো। তাই ভাড়াটিয়া সরকারকে বাড়ির দখল ছেড়ে দিয়েছেন।

সূত্র মতে, ২০১৫ সালের ২০ অক্টোবর বিচারিক আদালত তথ্য গোপন ও অবৈধ সম্পদ অর্জনের অপরাধে দুদকের করা মামলায় সাদেক হোসেন খোকাকে ১৩ বছরের কারাদণ্ড দেন। আদালত একই সঙ্গে আসামি খোকার অবৈধভাবে ১০ কোটি ৫ লাখ ২১ হাজার ৮৩২ টাকা মূল্যের স্থাবর-অস্থাবর সম্পদ রাষ্ট্রের অনুকূলে বাজেয়াপ্ত ঘোষণা করেন।

আদালত রায়ে পলাতক আসামি খোকাকে ১১ লাখ টাকা জরিমানা ও অনাদায়ে আরও ৭ মাসের কারাদণ্ড দেন।

আদালতের রায় ও নির্দেশে জেলাপ্রশাসন গত ২২ সেপ্টেম্বর প্রথম গুলশানের বাড়িটি, ২৩ সেপ্টেম্বর নারায়ণগঞ্জে এবং এর এক সপ্তাহ পর গাজীপুরে বিভিন্ন মৌজায় সাবেক মেয়র খোকার মোট ১০০ দশমিক ১৯৪৬ একর জমিতে বাজেয়াপ্তের সাইন বোর্ড টানিয়ে দেয়া হয়। এইসব জমি সরকারের এক নম্বর খাস খতিয়ানে রেকর্ড করার প্রক্রিয়া চলছে।

Previous
Next