Designed by shamsuddin noman

Skip to Content

চাঁদাবাজের কবলে নোয়াখালী জেলার পরিবহন ব্যবসা

চাঁদাবাজের কবলে নোয়াখালী জেলার পরিবহন ব্যবসা

Closed

22
প্রতিবেদক : নোয়াখালী জেলার পরিবহন ব্যবসায় ব্যাপক চাঁদাবাজীর অভিযোগ এনে সুবিচার প্রার্থনা করেছেন বিভিন্ন পরিবহনের মালিকরা। তারা অভিযোগ করেন একটি বিশেষ মহল তথা লক্ষ্মীপুর ঢাকা রুটে চলাচরত ইকোনো সার্ভিস এর কর্ণধার ও ঢাকা সায়দাবাদ নোয়াখালী জেলা বাস মালিক সমিতির সভাপতি বাবু বিজন বর্ধন বিগত ২৫/০২/২০১৫ইং তারিখ আনুমানিক দুপুড় ১.০০ ঘটিকার সময় ১৫/২০ জন সহযোগী নিয়ে ঢাকা এশিয়া ক্লাসিক এর কন্ট্রোল কাউন্টারে এসে জানিয়ে দেন ঢাকা সড়কের সাধারণ সম্পাদক জনাব এনায়েত সাহেবের নির্দেশ ঢাকা থেকে নোয়াখালীগামী এশিয়া ক্লাসিকের প্রত্যেকটি গাড়ীকে ২০০/-টাকা হারে চাঁদা প্রদান করিতে হইবে অন্যথায় পরিবহনটির কাউন্টারগুলো বন্ধ করে দেওয়ার জন্য। মালিকরা অভিযোগ করেন সরকার যখন সারা দেশে যাত্রীবাহী বাস নির্বিঘেœ চলাচলের ব্যবস্থা গ্রহণ করছেন সেই মুহুর্তে একজন পরিবহন মালিক বা নেতা হিসাবে কিভাবে অন্য একটি পরিবহন কে চাঁদার জন্য বন্ধ করে দিতে চান তা আমাদের বোধগম্য নয়। এতে নোয়াখালী জেলা পরিবহন ব্যবসা মারাত্মক হুমকীর মুখে ফেলার পায়তারা চলছে। মালিকরা অভিযোগ করেন সোনাপুর থেকে ছেড়ে আসা একটি গাড়ীকে ঢাকা পৌঁছানো পর্যন্ত যে পরিমাণ চাঁদা গুনতে হয় বাংলাদেশের অন্যকোন রুটে এত পরিমাণ চাঁদা আছে কিনা আমাদের জানা নেই। চাঁদার ধরণ ঃ সোনাপুর ৬০/- মাইজদী নতুন বাস টার্মিনাল ৭০/- বেগমগঞ্জ চৌরাস্তা ৭০/-সোনামুড়ী বাইপাস ৫০/- বিপুলাশার ২০/- নাসের পেটুয়া ২০/- লাকসাম ৫০/- বিশ্বরোড ১০০/- সর্ব মোট ৪৪০/- টাকা এবং ঢাকা থেকে নোয়াখালী পৌঁছাতে খরচ হয় সায়দাবাদ টার্মিনাল ৪০/- টাকা মালিক সমিতি, শ্রমিক ইউনিয়ন, ঢাকা সড়ক, ও সিটি কর্পোরেশন টোল ২০০/- সর্ব মোট ২৪০/- টাকা। এই বিপুল পরিমাণ চাঁদা দিয়ে আমরা উক্ত রুটে যাত্রী সেবা প্রদান করে আসছি। এমনিতেই হরতাল ও অবোরধের মধ্যে গাড়ী পরিচালনা করতে গিয়ে বিভিন্ন সময় আমাদের কয়েকটি গাড়ী ব্যাপক ভাংচুর চালানো হয়। বিষয়টি নোয়াখালী জেলার বিভিন্ন থানাকে সাধারণ ডায়রীর মাধ্যমে অবগত করা হয়েছে। বিভিন্ন পরিবহনের মালিকরা বলেন, নোয়াখালী জেলার পরিবহন সেক্টরের বিনিয়োগকারীগণ অন্য জেলা হতে আগত তথা লক্ষ্মিপুর জেলার বিভিন্ন উপজেলা থেকে ঢাকা এবং চট্টগ্রামগামী যাত্রীবাহী বাসগুলো অনিয়মতান্ত্রিক ভাবে নোয়াখালী জেলার বিশেষ করে চৌমুহনী ও চৌরাস্তা নামক স্থানে যাত্রী সংগ্রহের জন্য কাউন্টারের পসরা বসিয়েছে। এতে করে নোয়াখালী সোনাপুর থেকে ছেড়ে আসা ঢাকা এবং চট্টগ্রামগামী যাত্রীবাহী বাসগুলো যাত্রী সংকটে ভুগিতেছে। চৌমুহনী চৌরাস্তা হইতে সোনাপুর পর্যন্ত আনুমানিক দুরত্ব ১৫ কিলোমিটার। এই ১৫ কিলোমিটার পথের যাত্রী আমরা উক্ত রুটগুলোতে ব্যবসায় নিয়োজিত ব্যক্তিবর্গের মূল উৎস। কিন্তু দুঃখের বিষয় সোনাপুর থেকে ছেড়ে যাওয়া ঢাকা রুটের বাসগুলো লাকসাম ও কুমিল্লা হতে কোন প্রকার যাত্রী উঠাতে বা কাউন্টার স্থাপন করতে পারেনা। সেখানকার মালিক এবং শ্রমিক সমিতি গুলোর আমরা বাধার সম্মুখিন হই। অনুরূপ ভাবে চট্টগ্রাম রুটে চলাচলের গাড়ীগুলো ফেনী জেলায় কোথাও কোন কাউন্টার স্থাপন করিতে বা যাত্রী উঠাতে পারেনা। কিন্তু দুঃখের বিষয় লক্ষ্মিপুর থেকে ছেড়ে আসা যাত্রীবাহী বাসগুলো হরহামেশাই কাউন্টার স্থাপন করে যাত্রী পরিবহন করিতেছে। এতে করে আমরা নোয়াখালী এই পেশার সাথে জড়িত ব্যক্তিবর্গ ব্যবসায়ীক ভাবে মারাত্মক ক্ষতিগ্রস্থ হচ্ছি। মালিকরা চাাঁদাবাজ চক্রের হাত থেকে রক্ষায় মাননীয় সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ কামনা করছেন।

Previous
Next