Designed by shamsuddin noman

Skip to Content

দাগনভূঞায় অনুমোদন ছাড়াই চলছে অর্ধশতাধিক স’মিল বিপুল পরিমাণ রাজস্ব হারাচ্ছে সরকার

দাগনভূঞায় অনুমোদন ছাড়াই চলছে অর্ধশতাধিক স’মিল বিপুল পরিমাণ রাজস্ব হারাচ্ছে সরকার

Closed
by March 23, 2015 ফেণী

Untitled-64
দাগনভূঞা সংবাদদাতা : দাগনভূঞায় চলছে অনুমোদনহীন প্রায় অর্ধশতাধিক স’মিলের কার্যক্রম। এসব স’মিল মালিকরা বছরে লক্ষ লক্ষ টাকার মুনাফা ভোগ করলেও বিপরীতে সরকার হারাচ্ছে বিপুল অর্থের রাজস্ব।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, বেশিরভাগ স’মিল মালিকরাই সরকারী কোন নিয়ম নীতির তোয়াক্কা করেন না। ফলে তারা অনেকে ইচ্ছেমত কিংবা রেঞ্জার অফিসের বাৎসরিক চুক্তিতে মিল চালিয়ে যাচ্ছেন বছরের পর বছর।
জানা যায়, স’মিল (করাত কল) অনুমোদনের জন্য সরকারের পরিবেশ অধিদপ্তরের ছাড়পত্র, ২ হাজার টাকা নগদ জমা ও ফায়ার সার্ভিস সনদপত্র অত্যাবশ্যক হলেও অনেকে এসব নিয়ম না মানায় অনুমোদনকৃত মিল মালিকরা ক্ষতিগ্রস্থ হচ্ছেন। তাদের অভিযোগ, রেঞ্জার অফিসের কতিপয় অসাধূ কর্মকর্তার যোগসাজসে এক শ্রেণীর স’মিল মালিকরা সরকারী কোন ফি না দিয়েই অতি মুনাফা ভোগ করছেন।
রেঞ্জার অফিস সূত্র জানায়, স’ মিল পরিচালনায় সংশ্লিষ্ট দপ্তরের কাগজপত্র ছাড়াও বছরে পরিবেশ ছাড়পত্র নবায়ন ফি, ফায়ার সার্ভিস সনদ নবায়ন ফি, স’মিল নবায়ন ফিসহ বিপুল রাজস্ব ফাঁকি দিচ্ছে বেশ কিছু স’মিল মালিক। এবিষয়ে আমরা ইতিমধ্যে স’মিল মালিকদের একটি নোটিশ পাঠিয়েছি।
এ উপজেলায় ৬৭টি স’মিল থাকলে অনুমোদন রয়েছে মাত্র ২০টির। অনুমোদনকৃত উল্লেখযোগ্য মিল হল, ফেনী রোড়ের স’মিল, দুধমুখা স’মিল, এনায়েত ভূঞার প্রাইম টিম্বার এন্ড স’মিল, দুধমুখার খাজা স’মিল। এদিকে অনুমোদনহীন স’মিলের ছড়াছড়িতে যেমন প্রকৃত ব্যবসায়ী ও ভোক্তারা ক্ষতিগ্রস্থ হচ্ছেন অন্যদিকে সরকার হারাচ্ছেন বছরে লক্ষ লক্ষ টাকার রাজস্ব। এবিষয়ে দাগনূভূঞা উপজেলা নির্বাহি কর্মকর্তা ফরিদা খানম জানান, যে স’মিলগুলো অনুমোদন ছাড়া চলছে তাদের তালিকা আমার কাছে রয়েছে সহসায় তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। দাগনভূঞা উপজেলা বন কর্মকর্তা আনোয়ার হোসেন জানান, যে মিল গুলোর অনুমোদন নেই তাদেরকে নোটিশ করা হয়েছে।

Previous
Next