Designed by shamsuddin noman

Skip to Content

নাতনিকে ধর্ষণ করে থানার হাজতে আত্মহত্যা

নাতনিকে ধর্ষণ করে থানার হাজতে আত্মহত্যা

Closed

তের বছরের স্কুল পড়ুয়া নাতনিকে ধর্ষণ করে ধরা পড়েছেন আব্দুল মন্নাছ (৫৮) নামের এক দাদু। এরপর পুলিশ আটক করে থানায় নিয়ে এলে লজ্জায় হাজতেই আত্মহত্যা করেছেন তিনি।

রোববার (৩১ জুলাই) আদাবর থানা হাজতে গলায় ফতুয়া পেচিয়ে আত্নহত্যা করেন আব্দুল মন্নাছ। থানার সিসি টিভির ক্যামেরায় তার আত্মহত্যার দৃশ্যও ধরা পরেছে। নিহতের মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে নেয়া হয়েছে।

আদাবর থানার ডিউটি অফিসার উপপরিদর্শক (এসআই) মারুফ জানান, আব্দুল মন্নাছ পরিবার নিয়ে আদাবর থানা এলাকার মেহেদীবাগের ১ নম্বর রোডর জসিম ম্যানেজারের বাড়িতে ভাড়া থাকতেন। সঙ্গে থাকতেন ছেলে, ছেলের বউ ও ১৩ বছর বয়সী নাতনি। তাদের গ্রামের বাড়ি ময়মনসিংহের শিংকালে।

থানা সূত্রে জানা যায়, শনিবার (৩০ জুলাই) বিকেলে আব্দুল মন্নাছের নাতনি ধর্ষণের শিকার হন। এবিষয়ে থানায় একটি অভিযোগও করা হয়। অভিযোগে সন্দেহভাজন হিসেবে স্থানীয় এক যুবকের নাম উল্লেখ করা হয়। পরে পুলিশ ওই যুবককে আটক করে থানায় নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করলে সে নিজেকে নির্দোষ দাবি করে।

পরে পুলিশ আব্দুল মন্নাছের নাতনির সাথে কথা বলে জানতে পারে তার দাদুই তাকে ধর্ষণ করেছে। পুরো ঘটনা জেনে আব্দুল মান্নাছকে আটক করে থানা হাজতে রাখা হয়। এরপর রোববার ভোরে গলায় ফতুয়া পেঁচিয়ে আত্মহত্যা করেন মন্নাছ।

এ ব্যাপারে জানতে আদাবর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শাহিনুর রহমানের সঙ্গে কথা বলতে একাধিকবার কল করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি।

Previous
Next