Designed by shamsuddin noman

Skip to Content

নির্বাচনী হালচাল-ফেনী-১, খালেদার আসনে আওয়ামীলীগের দলীয় প্রার্থী কে?

নির্বাচনী হালচাল-ফেনী-১, খালেদার আসনে আওয়ামীলীগের দলীয় প্রার্থী কে?

Closed

প্রতিবেদক: আগামী সংসদ নির্বাচনের প্রচারণা সারাদেশের ন্যায় ফেনীতে চলচে জমজমাট। ফুলগাজী, পরশুরাম ও ছাগনাইয়া উপজেলার সমন্নয়ে ফেনী-১ নির্বাচনী এলাকা বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার আসন। গত নির্বাচনে বিএনপি নির্বাচন বয়কট করায় এ আসনে মহাজোটের প্রার্থী জাসদ নেত্রী শিরিন আক্তার বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। নির্বাচিত হওয়ার পর শিরিন আক্তার বিভিন্ন উন্নয়ন কর্মকান্ডে আওয়ামীলীগ দলীয় নেতা কর্মীদের সম্পৃক্ত না রাখার কারণে তারা যে এবারে মহাজোটের প্রার্থী হিসেবে শিরিন আক্তারকে এ আসনটিতে ছাড় দিচ্ছে না তা অনেকটা নিশ্চিত। আওয়ামীলীগ দলীয় মনোনয়ন প্রত্যাশী প্রায় সবকজন নেতাই শিরিন আক্তারের প্রতি অসম্ভব ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন। তাদের বক্তব্য হলো নিজ দলের মার্কা নিয়ে শিরিন আক্তার ভোট করলে জামানতও থাকবে না। অথচ আওয়ামীলীগের আশির্বাদে এমপি হয়ে আওয়ামীলীগ নেতা কর্মীদের তিনি পাত্তা দিচ্ছেন না। অনেক নেতা আশঙ্কা করছেন কেন্দ্রীয় আওয়ামীলীগ যদি এবারে শিরিন আক্তারকে মহাজোটের প্রার্থী হিসেবে এ আসনে ছাপিয়ে দেয় তাহলে তা ১০ম সংসদ নির্বাচনের সোনাগাজী আসনের মতো অবস্থা হবে। এখানে মহাজোটের প্রার্থী ছিলো রিন্টু আনোয়ার। কিন্তু আওয়ামীলীগ নেতা কর্মীরা মহাজোটের প্রার্থীকে মেনে নেয়নি। তারা স্বতন্ত্র প্রার্থী আওয়ামীলীগ নেতা রহিম উল্যাহর নির্বাচনে অংশ নেয় এবং তার বিজয় নিশ্চিত করে। বিএনপি নির্বাচনে অংশ নিলে খালেদা জিয়া যে দলীয় প্রার্থী তা শতভাগ নিশ্চিত। এখন আলোচনা চলছে কে হচ্ছেন আওয়ামীলীগের প্রার্থী। গতবার আওয়ামীলীগের মনোনয়ন পেয়েছিলেন জেলা আওয়ামীলীগের সহ-সভাপতি খায়রুল বাশার তপন। পরে মহাজোটের সিদ্ধান্ত মোতাবেক তিনি মনোনয়ন প্রত্যাহার করে মহাজোটের প্রার্থীকে সমর্থন দেন। এবারও তিনি দলীয় মনোনয়ন দৌড়ে রয়েছেন। তিনি মনোনয়নের জন্য চেষ্টা তদবির চালিয়ে যাচ্ছেন। অপরদিকে ছাগলনাইয়া উপজেলার জনপ্রিয় উপজেলা চেয়ারম্যান ও উপজেলা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক মেজবাহুল হায়দার চৌধুরী সোহেল দলীয় মনোনয়ন চাইবেন এমন ঘোষনা দিয়ে এলাকায় ব্যাপক আলোচনায় এসেছেন। স্থানীয় রাজনীতিতে সজ্জ্বন ব্যক্তি হিসেবে পরিচিত সোহেল চৌধুরী এলাকার জনকল্যাণে নিবেদিত। তাছাড়া দীর্ঘদিন আওয়ামীলীগের রাজনীতিতে সক্রিয় অংশগ্রহণের কারণে দলীয় নেতাকর্মীদের কাছে তার ইমেজ খুব দৃঢ়। অন্যদিকে ঢাকার বিশিষ্ট ব্যবসায়ী শেখ আবদুল্লাহও মনোনয়ন দৌড়ে রয়েছেন। তিনিও সপ্তাহে দুএকদিন এলাকায় গিয়ে বিভিন্ন সামাজিক কর্মকান্ডে অংশগ্রহণ করছেন। এছাড়াও পরশুরামে আওয়ামীলীগের সভাপতি পৌর মেয়র নিজাম চৌধুরী সাজেল, জাতীয় পার্টির নাজমা আক্তার, আবু তালেবও মনোনয়ন দৌড়ে আছেন। পুরো নির্বাচনী এলাকায় মূর্খ্য আলোচনার বিষয় হয়ে দাড়িয়েছে আওয়ামীলীগের মনোনয়ন কে পাচ্ছেন তা নিয়ে। তপন, সোহেল চৌধুরী, শেখ আবদুল্লাহ মূলত এই তিন জনের মধ্যেই মনোনয়ন লড়াই হবে। কেন্দ্রীয় আওয়ামীলীগের বিবেচনায় এলাকায় যিনি জনপ্রিয় এবং যার গ্রহণ যোগ্যতা আছে তিনিই দলীয় মনোনয়ন পাবেন। এমন বক্তব্য প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা প্রায় সময়ই দিয়ে থাকেন বিভিন্ন সভা-সমাবেশে। মনোনয়ন প্রাপ্তিতে প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্যের প্রতিফলন ঘটলে মেজবাহুল হায়দার সোহেল চৌধুরী মনোনয়ন দৌড়ে এগিয়ে আছেন তা সহজেই অনুমেয়।

Previous
Next