Designed by shamsuddin noman

Skip to Content

নোয়াখালী সদর পশ্চিমাঞ্চলে নেতৃত্ব শূন্য করতেই আওয়ামীলীগ নেতাদের হত্যা

নোয়াখালী সদর পশ্চিমাঞ্চলে নেতৃত্ব শূন্য করতেই আওয়ামীলীগ নেতাদের হত্যা

Closed

02

বিধান ভৌমিক : নোয়াখালী সদর উপজেলার পশ্চিমাঞ্চলে নেতৃত্ব শূন্য করতেই আওয়ামীলীগ নেতাদের পরিকল্পিত ভাবে হত্যা করা হচ্ছে বলে দলীয় নেতাকর্মীরা জানান। ২০১৪ সালের ২৭ জুলাই রাতে সদর উপজেলার চরমটুয়া ইউনিয়নের মহতাপুরে জেলা আওয়ামীলীগের সাবেক কোষাধ্যক্ষ হাজী মো.ইউসূফ আলী সেলিমকে নৃশংস ভাবে গলা কেটে হত্যা করার পর চলতি বছরের ৮ জানুয়ারী রাতে লক্ষীপুরের কমল নগর উপজেলার হাফেজিয়া মাদ্রাসা এলাকায় নোয়াখালী সদরের আন্ডারচর ইউনিয়নের ৭নং ওয়ার্ড যুবলীগ সভাপতি মো.ইউসুফ কে কুপিয়ে এবং ৮ ফেব্রুয়ারি রাতে উপজেলার চরমটুয়া ইউনিয়নের ২নং ওয়ার্ডের লেদু মিয়ার বাড়ির পাকা রাস্তার পাশে সদর উপজেলা আওয়ামীলীগ কার্যকরী কমিটির সদস্য মো.বাবুল মিয়া (মেম্বার) কে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে হত্যা করেছে দূবৃর্ত্তরা। এ তিনটি হত্যাকান্ডের ঘটনায় পশ্চিমাঞ্চল আওয়ামীলীগ ও অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীসহ এলাকাবাসী আতংকিত হয়ে পড়েছে। আওয়ামীলীগ দলীয় সুত্র জানায়, ২০০৮ সালে আওয়ামীলীগ ক্ষমতায় আসার পর সদর উপজেলার পশ্চিমাঞ্চলের চরমটুয়া, পূর্ব চরমটুয়া, আন্ডারচর ও দাদঁপুর ইউনিয়ন আওয়ামীলীগ ও অঙ্গসংগঠন জেলা আওয়ামীলীগ সাধারণ সম্পাদক একরামুল করিম চৌধুরীর নেতৃত্বে এবং জেলা আওয়ামীলীগের কোষাধ্যক্ষ হাজী মো.ইউসূফ আলী সেলিম, চরমটুয়া ইউনিয়ন আওয়ামীলীগ সভাপতি মেসকাত উদ্দিন চৌধুরী দিদার, সাধারণ সম্পাদক ও ইউপি চেয়ারম্যান কামাল উদ্দিন বাবলু, সদর উপজেলা আওয়ামীলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক নুরুল আলম, ধর্ম বিষয়ক সম্পাদক মো. হারুনুর রশিদ, সদস্য মরহুম মো.বাবুল মিয়া (মেম্বার), পূর্ব চরমটুয়া ইউনিয়ন আওয়ামীলীগ সভাপতি ও ইউপি চেয়ারম্যান রিপন চৌধুরী, আন্ডারচর ইউনিয়ন আওয়ামীলীগ সভাপতি আলী হায়দার বকসী, সাধারণ সম্পাদক সাহাব উদ্দিন মেম্বার, দাদঁপুর ইউনিয়ন আওয়ামীলীগ সভাপতি আবদুল মতিন, সাধারন সম্পাদক মিরণ মেম্বারের সাংগঠনিক তৎপরতায় ঘুরে দাড়িয়েছে। পশ্চিমাঞ্চলে আওয়ামীলীগের শক্তিশালী অবস্থানের কারণে ক্রমেই নিস্ক্রিয় হতে চলেছে বিরোধী জোট। যার কারণে বিরোধী জোটের নেতারা ক্ষিপ্ত আওয়ামীলীগ নেতাদের উপর। ২০১৪ সালের ২৭ জুলাই রাতে পরিকল্পিত ভাবে চরমটুয়া ইউনিয়নের মহতাপুরে জেলা আওয়ামীলীগের সাবেক কোষাধ্যক্ষ হাজী মো.ইউসূফ আলী সেলিমের মোটরসাইকেলের গতিরোধ করে জবাই করে হত্যা করেছে দূবৃর্ত্তরা । ঘটনার ঘাঁ না শুকাতেই চলতি বছরের ৮ জানুয়ারী রাতে লক্ষীপুরের কমল নগর উপজেলার হাফেজিয়া মাদ্রাসা এলাকায় নোয়াখালী সদরের আন্ডারচর ইউনিয়নের ৭নং ওয়ার্ড যুবলীগ সভাপতি মো.ইউসুফ কে কুপিয়ে হত্যা করে দূবৃত্তরা। এর এক মাসের মাথায় গত ৮ ফেব্রুয়ারি রাতে উপজেলার চরমটুয়া ইউনিয়নের ২নং ওয়ার্ডের লেদু মিয়ার বাড়ির পাকা রাস্তার পাশে মোটরসাইকেলের গতিরোধ করে সদর উপজেলা আওয়ামীলীগের কার্যকরী কমিটির সদস্য ও চরমটুয়া ইউপি সদস্য মো.বাবুল মিয়া কে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে হত্যা করেছে দূবৃর্ত্তরা। এ ৩টি হত্যাকান্ডের ধরন একই রকম হওয়ায় এ হত্যাকান্ড গুলো পরিকল্পিত এবং বিরোধী জোটের নেতাকর্মীরা ঘটিয়েছে বলে দাবি আওয়ামীলীগ নেতাকর্মীদের। আন্ডারচর ইউনিয়ন আওয়ামীলীগ সভাপতি আলী হায়দার বকসী বলেন, একরামুল করিম চৌধুরী এমপির নেতৃত্বে বর্তমানে সদর পশ্চিমাঞ্চলে আওয়ামীলীগ সু-সংগঠিত। তাই আওয়ামীলীগকে নিষ্ক্রিয় করার জন্য পরিকল্পিত ভাবে বিএনপি-জামায়াত জোটের সন্ত্রাসীরা আমাদের নেতাকর্মীদের উপর হামলা চালিয়ে হত্যা করছে। চরমটুয়া ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সাধারন সম্পাদক ও ইউপি চেয়ারম্যান কামাল উদ্দিন বাবলু বলেন, জেলা, উপজেলা আওয়ামীলীগের নেতৃত্বে সদরের পশ্চিমাঞ্চলের ৪টি ইউনিয়নে আওয়ামীলীগ, সহযোগী ও অঙ্গসংগঠন সু-সংগঠিত। আমাদের এ অঞ্চলকে নেতৃত্ব শূন্য করতে নোয়াখালী ও লক্ষীপুরের বিরোধী জোটের সন্ত্রাসীরা পরিকল্পিত ভাবে আমাদের নেতা ইউসুফ আলী সেলিম, বাবুল মেম্বার ও যুবলীগ নেতা ইউসুফ কে হত্যা করেছে। আমরা প্রশাসনের নিকট দাবি করছি যেন হত্যাকারীদের গ্রেফতার করে দৃষ্টান্ত মূলক শাস্তির আওয়াতায় আনা হয়।

Previous
Next