Designed by shamsuddin noman

Skip to Content

ফোর-জি ইন্টারনেট অনুমোদিত নীতিমালা নিয়ে অসন্তুষ্ট অপারেটররা

ফোর-জি ইন্টারনেট অনুমোদিত নীতিমালা নিয়ে অসন্তুষ্ট অপারেটররা

Closed

দ্রুত গতির চতুর্থ প্রজন্মের ইন্টারনেট বা ফোর-জি সেবা ডিসেম্বরের মধ্যেই চালু করতে চায় সরকার। ইতোমধ্যে অনুমোদন পেয়েছে নীতিমালা। তবে অনুমোদিত নীতিমালা ব্যবসাবান্ধব না হওয়ার আশঙ্কা করছেন অপারেটররা। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, মানসম্মত ফোর-জি সেবা দিতে বিটিআরসি এবং অপারেটরকে সমন্বতি উদ্যোগ নিতে হবে।

দক্ষিণ এশিয়ার সব দেশে ফোর-জি থাকলেও এক্ষেত্রে বাংলাদেশ পিছিয়ে। তাই বছরের শেষ মাসে হলেও এ সেবা চালু করতে চায় সরকার। এ লক্ষ্যে শিগগিরই লাইসেন্স ও নিলামের উদ্যোগ নিয়েছে বিটিআরসি। ফোর-জ ’তে ইন্টারনেটের নূন্যতম গতি হতে হবে ১০০ এমবিপিএস। তবে থ্রি-জির গতিতে হতাশ গ্রাহকরা। তাই ফোর-জি নিয়ে এখনই তারা আশাবাদী হতে পারছেন না।

ইন্টারনেট ব্যবহারকারী একজন বলেন, থ্রি-জির অবস্থাই এখনও টু-জির মতো। এখন ফোর-জি আসলে যে কি অবস্থা হবে তা বলা যায় না। যদিও আমরা শঙ্কিত তবে আশা করতে পারি ভালো কোনো সেবা পেতে পারি। আশা করব দেশের প্রত্যেকটা অঞ্চলে যেনো থ্রি-জির নেটওয়ার্কট থাকে।

ফোর-জি চালু করতে প্রস্তুত বড় তিন অপারেটর গ্রামীণ ফোন , রবি ও বাংলালিঙ্ক। তবে অনুমোদিত নীতিমালা নিয়ে সন্তুষ্ট নয় তারা।

অপারেটরদের সংগঠন অ্যামটব মহাসচিব টি আই এম নুরুল কবির বলেন, ‘ইকোসিস্টেম তৈরি খুবই ব্যয়বহুল হওয়ায় চড়া মূল্যে তরঙ্গ কিনে ব্যবসায় টিকে থাকা কঠিন হবে। এর জন্য সরকারের সহযোগীতা দরকার।’

প্রযুক্তি বিশেষজ্ঞ সাবির হোসেন সুমন বলেন, ‘ফোর-জি সেবার মান ও দাম সাশ্রয়ী না হলে থ্রিজির মতো এ সেবাও মুখ থুবড়ে পড়তে পারে বলে আশঙ্কা করছেন তিনি।’

দেশের মোট মোবাইল ফোনের মাত্র তিন ভাগ ফোর-জি প্রযুক্তির। এমন বাস্তবতায় লাইসেন্স নেয়ার প্রথম ৯ মাসে সব বড় শহর ও দেড় বছরে জেলা শহরে ফোর-জি চালু করার কথা আছে নীতিমালায়।

Previous
Next