Designed by shamsuddin noman

Skip to Content

বিএনপিতে বড় ধরনের পরিবর্তন, টেনশনে সুবিধাবাদীরা!

বিএনপিতে বড় ধরনের পরিবর্তন, টেনশনে সুবিধাবাদীরা!

Closed
সুবিধাবাদী নেতারা দলে আর সুবিধা পাচ্ছেন না।  রাজপথের আন্দোলন-সংগ্রাম থেকে যারা দূরে থেকেছেন তাদের আর ঠাঁই হচ্ছে নতুন কমিটিতে।  এ নিয়ে টেনশনে আছেন মাঠে না থাকা নেতারা।  আগামী কাউন্সিলের পর বাদ পড়তে পারেন স্থায়ী কমিটির সদস্যসহ অনেক বড় নেতা।  বড় ধরনের পরিবর্তনের কথাই শোনা যাচ্ছে।  বিগত আন্দোলনে কার কেমন ভূমিকা ছিল তা মূল্যায়নের ভিত্তিতেই জায়গা হবে নতুনদের।  অবশ্য কাউন্সিল করতে অন্তত ছয় মাস লাগতে পারে।  এসব তথ্য জানিয়েছেন দলের নেতারা।
২০০৯ সালের ৮ ডিসেম্বর সর্বশেষ কাউন্সিল হয়েছিল বিএনপির।  এরপর নানা কারণে আর কাউন্সিল হয়নি।  মেয়াদোত্তীর্ণ কমিটি নিয়েই সাংগঠনিক কার্যক্রম চলছে বিএনপির।  বিগত দুই দফা নিস্ফল আন্দোলন মূল্যায়ন করে দল পুনর্গঠনের কথা ভাবছেন বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া।
সম্প্রতি এক মতবিনিময় সভায় খালেদা জিয়া বলেন, দলের প্রতি নিবেদিত, দলের সঙ্গে বেঈমানি করেনি, করবে না তাদেরই এবার বিভিন্ন জায়গায় নেব। তাদের আমরা সম্মানিত করতে চাই।কাউন্সিল করতে আরো কিছুটা সময় লাগবে জানিয়ে বিএনপি স্থায়ী কমিটির সদস্য ব্রিগেডিয়ার জেনারেল আ স ম হান্নান শাহ বলেন, একটি জাতীয় কাউন্সিল করতে গেলে প্রস্তুতিতেই ন্যূনতম ছয় মাস সময় লাগে।  জাতীয় নির্বাহী কমিটির অনেক সদস্য আত্মগোপনে অথবা কারাগারে আছেন।বিএনপি স্থায়ী কমিটির আরেক সদস্যের মতে, সরকারের অগণতান্ত্রিক মনোভাবের কারণে শিগগিরই কাউন্সিল করা মুশকিল হবে।  অনেক সদস্য বর্তমানে নেই।  তাদের বাদ দিয়ে কাউন্সিল করা যায় না।
দলের গঠনতন্ত্র অনুযায়ী, স্থায়ী কমিটি, ভাইস চেয়ারম্যান ও উপদেষ্টামণ্ডলীর সদস্য নিয়োগের ক্ষেত্রে একক এখতিয়ার রয়েছে বিএনপি চেয়ারপারসনের। নীতিনির্ধারণী ফোরামের সদস্যরা মনে করেন, কাউন্সিল যখনই হোক দলে এবার আমূল পরিবর্তন আসছে।আ স ম হান্নান শাহ বলেন, স্ট্যান্ডিং কমিটি, উপদেষ্টামণ্ডলীর সদস্য এবং ভাইস চেয়ারম্যান পদে এমন কিছু সদস্য আছেন, যারা বছরের পর বছর দলীয় কর্মকাণ্ডে অংশগ্রহণ করতে পারছেন না।  দলে তাদের রেখে আগামীদিনের সক্রিয় রাজনীতি সফল হবে বলে আমি মনে করি না।এদিকে ঈদুল ফিতরের পরই জাতীয়তাবাদী যুবদলের কমিটি পুনর্গঠন করা হবে।  বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর ও যুগ্ম-মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী কারাগার থেকে মুক্তি পাওয়ার পর কমিটি ঘোষণা করা হতে পারে।  এ তথ্য যুবদলের একাধিক সূত্রে জানা গেছে।সূত্র জানায়, বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া স্বয়ং এই কমিটি পুনর্গঠন করছেন।  এ জন্য কাজও শুরু করে দিয়েছেন তিনি।  শিগগিরই নতুন কমিটি ঘোষণা করা হবে।যুবদলের নতুন কমিটিতে বিএনপির শিক্ষা বিষয়ক সম্পাদক খায়রুল কবির খোকনকে সভাপতির দায়িত্ব দেয়া হতে পারে।  সাধারণ সম্পাদকের পদে বর্তমান কমিটির সাধারণ সম্পাদক সাইফুল আলম নীরবকেই বহাল রাখা হবে, এমনই শোনা যাচ্ছে।  এও শোনা যাচ্ছে, বিএনপির ছাত্র বিষয়ক সম্পাদক শহীদ উদ্দিন চোধুরী এ্যানী ও সাবেক ছাত্রনেতা সানাউল হক নীরুকেও এই দুই পদে বসানো হতে পারে।অন্য একটি সূত্রে জানা গেছে, মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর ও রুহুল কবির রিজভী ঈদের আগেই জামিনে মুক্তি পেতে পারেন।  জেল থেকে বের হলেই যুবদলের কমিটি নিয়ে আলোচনায় বসবেন খালেদা জিয়া।  বেগম খালেদা জিয়ার নির্দেশনা ও তথ্য অনুযায়ী অচিরেই যুবদলের কমিটি পুনর্গঠন করা হবে- এমন কথা একটি গণমাধ্যমকে বলেছেন সংগঠনের সভাপতি সৈয়দ মোয়াজ্জেম হোসেন আলাল।  তবে কবে নাগাদ কমিটি ঘোষণা করা হবে সে বিষয়ে সুনির্দিষ্ট করে কিছু বলেননি তিনি।২০১০ সালের ১ মার্চ যুবদলের সর্বশেষ কমিটির সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকের নাম ঘোষণা করা হয়েছিল।  নিয়ম অনুযায়ী দুই বছরের মধ্যে নতুন কমিটির দায়িত্ব নেয়ার কথা থাকলেও এ সময়ের মধ্যে পূর্ণাঙ্গ কমিটি গঠন করা হয়নি।1435321940bnp-mtnews24
Previous
Next