Designed by shamsuddin noman

Skip to Content

বেগমগঞ্জে এম পি কিরনকে পরিকল্পিতভাবে সংঘাতে জড়ানো হচ্ছে।

বেগমগঞ্জে এম পি কিরনকে পরিকল্পিতভাবে সংঘাতে জড়ানো হচ্ছে।

Closed

বিশেষ প্রতিবেদক,

বৃহত্তর নোযাখালীর গুরুত্বপূর্ণ স্থান বেগমগঞ্জের আওয়ামীলীগের রাজনীতি নিয়ে গভীর ষড়যন্ত্রের ছক বুনা হয়েছে । তারই ধারাবাহিকতায় গত ১৭ই সেপ্টম্বর স্থানীয় সংসদ সদস্যের উপস্থিতিতে পৌর মেয়র সমর্থিত উচ্ছৃঙ্খল সমর্থকরা সহিংস হামলা চালায় এক প্রতিবাদ সভায়। এ হামলার সন্ত্রাসীরা চেয়ার, টেবিল ভাঙচুর করে এবং সংসদ সদস্য আলহাজ্ব মামুনুর রশিদ কিরনকে লক্ষ্য করে চেয়ার ছুড়ে মারে। সন্ত্রাসীদের ছুড়ে মারা চেয়ারে সংসদ সদস্য আহত হন এবং পায়ে ব্যাথা পান। তিনি প্রায় ২ সপ্তাহ যাবৎ চিকিৎসাধীন ছিলেন। সূত্র জানায়, ১৪ সেপ্টেম্বর হঠাৎ করে উপজেলা আওয়ামীলীগ নেতা আনছারির উপর হামলা চালায় সন্ত্রাসীরা। সংসদ সদস্য মামুনুর রশিদ কিরনের একনিষ্ঠ সমর্থক আনছারির উপর হামলার কোনো যৌক্তিকতা খুজে পায়নি রাজনৈতিক বৌদ্ধারা। রাজনীতিতে শান্তিপ্রিয় হিসেবে পরিচিত আনছারির উপর হামলা অনেকটা পরিকল্পিত বলে বিভিন্ন সূত্র জানায়। আনছারি সংসদ সদস্য মামুনুর রশিদ কিরন সমর্থক। কিরন সমর্থকদের দাবী আনছারির উপর প্রতিপক্ষ রাজনৈতিক দলের সন্ত্রাসীরা হামলা করেনি। হামলা করেছে আওয়ামীলীগের প্রতিপক্ষ গ্রুপ। অনেকে মনে করছেন আনছারির উপর হামলাকারীদের সাথে ১৭ সেপ্টেম্বর প্রতিবাদ সভার হামলাকারীদের যোগসূত্র রয়েছে। বেগমগঞ্জে আওয়ামীলীগের রাজনীতিতে কিরন, এনায়েত এবং জাবেদ গ্রুপের অস্তিত্ব বিভিন্ন সময় লক্ষ্য করা গেলেও সংসদ সদস্য পদে মনোনয়ন আগ্রহী চৌমুহনি পৌর মেয়র ফয়সলের গ্রুপ নিয়ে নানা প্রশ্নের জন্ম নিয়েছে। প্রশ্ন উঠেছে ফয়সল কি আজও মনোনয়ন প্রত্যাশী? নাকি অন্য কোনো মনোনয়ন প্রত্যাশীর পক্ষ হয়ে বিট্রিম হিসাবে কাজ করছেন? বিভিন্ন সংস্থা, মিডিয়া এবং রাজনৈতিক পরিমন্ডলে বেগমগঞ্জ আসনে মনোনয়ন আলোচনায় রয়েছেন বর্তমান সংসদ সদস্য মামুনুর রশিদ কিরন ও ১/১১ এর নায়ক জেনারেল মঈনের ছোট ভাই জেলা আওয়ামীলীগের সহ-সভাপতি জাবেদ ইউ আহমেদের নাম। হঠাৎ করে সোস্যাল মিডিয়ায় ফয়সলের মনোনয়ন আগ্রহ সম্মলিত বিভিন্ন প্রচার প্রচারনাকে ভিন্নভাবে দেখছেন রাজনৈতিক মহল। দফায় দফায় কিরন সমর্থকদের সাথে দাঙ্গায় জড়াচ্ছে ফয়সল সমর্থকরা। কিন্তু সংসদ সদস্য মনোনয়ন পদে যারা মূল প্রতিদ্বন্দ্বি সেই জাবেদ আহমেদ ও এ টি এম এনায়েত সমর্থকরা কিরন সমর্থকদের সাথে সংঘাতে জড়াচ্ছেন না। এতে প্রশ্ন উঠেছে ফয়সল সমর্থকরা কেন বার বার কিরন সমর্থকদের উপর চড়া হচ্ছেন? রাজনীতির গানিতিক সূত্রে এটি প্রতিয়মান হয়ে উঠছে যে, ফয়সল গ্রুপ ও কিরন গ্রুপের সংঘাতের কারনে শুধু ফয়সল বিতর্কিত হচ্ছেন না মামুনুর রশিদ কিরনও বিতর্কিত হচ্ছেন। দুজনেই অভিযুক্ত হচ্ছেন সংঘাতের কারনে। রাজনৈতিক সচেতন মহল মনে করছে মামুনুর রশিদ কিরনকে বিতর্কিত করতেই পরিকল্পিত ষড়যন্ত্রের অংশই হচ্ছে সাম্প্রতিক সময়ের সংঘাতগুলো। এতে ফায়দা লুটে নেওয়ার চেষ্টা করছে তৃতীয় একটি পক্ষ। সূত্র মতে, কিরনকে বিতর্কিত করার জন্য কোটি কোটি টাকা হাত বদলও হতে পারে। স্থানীয় রাজনীতি এবং জনগনের থেকে কিরনকে বিচ্ছিন্ন করতে না পেরে ঐ মহলটি ঘৃণ্য এই পথ বেছে নিয়েছেন বলে সচেতন মহলের ধারনা। বিভিন্ন সূত্রমতে, কোন প্রকার নিয়োগ ও টেন্ডার বাণিজ্য কিংবা সন্ত্রাস নৈরাজ্যের বিন্দুমাত্র অভিযোগ না থাকায় মামুনুর রশিদ কিরন প্রধান মন্ত্রির গুডবুকে রয়েছেন। আগামী নির্বাচনে দলীয় মনোনয়ন লাভও অনেকটা নিশ্চিত। কিন্তু দলের মধ্যে গুপটি মেরে থাকা একটি মহল দীর্ঘদিন থেকে সংসদ সদস্য মামুনুর রশিদ কিরনের উপর সক্রিয় রয়েছেন। তারা যেকোন উপায়ে তার মনোনয়ন ঠেকাতে তৎপর।

Previous
Next