Designed by shamsuddin noman

Skip to Content

লক্ষ্মীপুরে কথিত অপহৃত নুরনবীকে নিয়ে সৃষ্টি হয়েছে ধুম্রজাল।

লক্ষ্মীপুরে কথিত অপহৃত নুরনবীকে নিয়ে সৃষ্টি হয়েছে ধুম্রজাল।

Closed

বিশেষ প্রতিবেদক,
লক্ষ্মীপুর সদর উপজেলার বশিকপুর ইউনিয়নের শেরপুর গ্রামের আবদুল মান্নানের ছেলে নুরনবীকে নিয়ে সৃষ্টি হয়েছে ধুম্রজাল।
একটি জাতীয় দৈনিকে নুরনবীকে নিয়ে সংবাদ প্রকাশের সূত্রধরে এ বিষয়ে সরেজমিনে মঙ্গলবার সকালে নুরনবীদের চৌকিদার বাড়িতে গিয়ে দেখা গেছে, কথিত অপহৃত ও গুলিবিদ্ধ নুরনবীর শরীরে আঘাতের চিহ্ন থাকলেও গুলির কোন চিহ্ন নেই এবং ছেলে-মেয়ে ও স্ত্রী সুফিয়া বেগমকে নিয়ে বাড়ীতেই রয়েছেন তিনি। ওই পত্রিকায় গ্রকাশিত হয় গ্রতিবেশীরা শুনেছেন কয়েক রাউন্ড গুলির শব্দ। তারপরে বিএনপি নেতা নুরনবীর ভাগ্যে কি জুটেছে তা কেউ জানেন না। এ বিষয়ে নুরনবী সাংবাদিকদের বলেন, ঘটনার দিন তিনি পাওয়ার টিলার (ট্রাক্টর) দিয়ে মাটি আনা নেওয়া কাজ করছিলেন। এ সময় স্থানীয় বশিকপুর ইউপি চেয়ারম্যান আবুল কাশেম জিহাদী এসে তাকে ট্রাক্টর দিয়ে মাটি আনা নেওয়া যাবেনা, ট্রাক্টরে মাটি আনা নেওয়ার কাজ করলে পাকা রাস্তা-ঘাটের ব্যাপক ক্ষতি হয় বলে দমক দেন। তিনি কথা না শুনায় চেয়ারম্যান তাকে ধাওয়া করে। চেয়ারম্যানের ধাওয়ায় তিনি ভয় পেয়ে দৌঁড়ে পালাতে গিয়ে গাছের সাথে ধাক্কা খেয়ে পড়ে গিয়ে আহত হন। এ সময় তার বাম পায়ে আঘাত পান তিনি। পরে স্থানীয়ভাবে তার চিকিৎসা করানো হয়। চেয়ারম্যান ও তাঁর লোকজন তাকে উঠিয়ে নিয়ে গিয়ে মেরে তার পায়ে গুলি করেছিল এবং ঘটনার পর তার পরিবারসহ তাকে উঠিয়ে নিয়ে গেছেন এমন বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, চেয়ারম্যান ও তাঁর লোকজন আমার উপর ও আমার পরিবারের উপর কোন হামলা করেনি এবং কোন ধরণের হুমকি ধমকি গ্রদান করেনি। চেয়ারম্যানের সাথে আমার রাজনৈতিক কোন বিরোধ নাই। আমি একজন বৃদ্ধ মানুষ গ্রামে চাষ-বাস করে থাকি। নির্বাচন ও রাজনৈতিক বিষয়ে আমার কোন আগ্রহ নাই, তাই এই বিষয়ে চেয়ারম্যানে সাথে বিরোধ থাকার গ্রশ্নই আসেনা। তা ছাড়া ইউপি চেয়ারম্যান ও আমি আত্বীয়, আমরা একে অপরের তালতো ভাই। আমাদের মাঝে গুলি বা অপহরনের কোন ঘটনাই ঘটেনি। তিনি (নুরনবী) তার স্ত্রী সুফিয়া বেগম, বড় ছেলে মো. সুমন (২৫), ছোট ছেলে মো. রাব্বি (১২), বড় মেয়ে বিবাহিত জান্নাত (২২), ছোট মেয়ে সিমা আক্তার (১৭) পাঁচ ছেলে-মেয়ের মধ্যে চার ছেলে-মেয়ে ও স্ত্রীকে নিয়ে তিনি বাড়িতে আছেন। মেজো ছেলে মো. হাছান (২০) কাজের জন্য চট্টগ্রাম রয়েছেন। নুরনবীর স্ত্রী সুফিয়া বেগম বলেন, তার স্বামী চেয়ারম্যানের ভয়ে পালাতে গিয়ে পড়ে গিয়ে আহত হয়েছেন। মারামারি ও গুলির কোন ঘটনা ঘটেনি। তা ছাড়া তারা পালিয়ে বেড়াচ্ছেন বলে যে কথা উঠেছে তা সত্য নয়। তিনি স্বামী, সন্তানদের নিয়ে বাড়িতে আছেন। একটি পক্ষ তাদেরকে দিয়ে চেয়ারম্যানকে ঘায়েল করার জন্য এমন অপ-গ্রচার চালাচ্ছে বলে তিনি অভিযোগ করেন। বাড়িতে থাকা নুরনবীর বড় মেয়ে বিবাহিত জান্নাত (২২), ছোট মেয়ে সিমা আক্তার (১৭) ও ছোট ছেলে মো. রাব্বি (১২) বলেন, তাঁরা বাড়িতে রয়েছেন তাদরকে কেউ কোন হুমকি ধমকি দিচ্ছেনা। তাদের বাবা নিখোঁজ ছিলো ও তাকে মারা হয়েছে কিনা জানতে চাইলে তাঁরা বলেন, তাদের বাবা পড়ে গিয়ে আহত হয়েছে, তিনি এখন সুস্থ্য রয়েছেন। এ বিষয়ে সদর উপজেলার চন্দ্রগঞ্জ থানার ভারগ্রাপ্ত কর্মকর্তা আবুল কালাম আজাদ জানান, বশিকপুর ইউনিয়নের শেরপুর গ্রামের আবদুল মান্নানের ছেলে নুরনবী পরিবার-পরিজন নিয়ে তার নীজ বাড়ীতে আছেন। তার উপর হামলা ও অপহরনের বিষয়ে তিনি আমাদের কাছে কোন অভিযোগ করেনি।

Previous
Next