Designed by shamsuddin noman

Skip to Content

শাকসবজিতে ভরপুর রাজধানীর বাজার

শাকসবজিতে ভরপুর রাজধানীর বাজার

Closed

হেমন্তের শেষদিকে শীতকালীন শাকসবজিতে ভরপুর রাজধানীর বাজার। দামও কিছুটা কম। শাকসবজির পাশাপাশি মাছের দামও কমেছে।

শুক্রবার রাজধানীর ভাষানটেক, কচুক্ষেত ও মহাখালী এলাকায় কাঁচাবাজার ঘুরে দেখা গেছে, একটি ভালো মানের ফুলকপি বিক্রি হচ্ছে ২৫ থেকে ৩০ টাকায়। একই রকম মূল্যে বিক্রি হচ্ছে বাঁধাকপি। অন্য বছরের এ সময় বাজারে আসা নতুন আলুর দাম ৮০ থেকে নব্বই টাকায় বিক্রি হলেও এ বছর ৪০ থেকে ৫০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। আর পুরাতন আলু বিক্রি হচ্ছে ২০ থেকে ২৫ টাকায়। দাম কম থাকায় ক্রেতারাও খুশি।

কচুক্ষেত বাজারে কথা হয় উত্তর কাফরুল এলাকার বাসিন্দা জয়নাল আবেদিনের সঙ্গে। তিনি জাগো নিউজকে বলেন, ‘গত সপ্তাহ থেকে বাজারে শীতকালীন সব ধরনের শাকসবজি বেশি পাওয়া যাচ্ছে। গত বছরের এ সময়ের তুলনায় এ বছর দাম কমই মনে হচ্ছে। তাই বেশি করে শীতের শবজি কিনলাম।’

তিনি জানান, কচুক্ষেত বাজারে আজ শিম ৪০ টাকা ও বরবটি ৫০ টাকা দরে কিনেছেন। পালং শাক কিনেছেন আঁটি ১০ টাকা দরে।

বাজারে পর্যাপ্ত সরবরাহ থাকায় গত সপ্তাহের তুলনায় দাম কমেছে বলে জানালেন একই বাজারের শবজি বিক্রেতা আমিনুল। তিনি জানান, শবজির দাম আরও কমবে। সুলভ মূল্যে সাধারণ মানুষ শীতকালীন শবজি খেতে পারবেন।

মহাখালী কাঁচাবাজারের বিক্রেতা হাসান বলেন, ‘এ সপ্তাহে দাম বেশি নয়, সবজির বাজার ভালো বলতে হবে। দাম এর চেয়ে কমে গেলে কৃষক ও খুচরা ব্যবসায়ীরা ক্ষতিগ্রস্ত হবে।’

তিনি জানান, সবজির দাম বাড়ে-কমে উৎপাদন ও সরবরাহের কারণে। চলতি বছর উত্তরবঙ্গের বগুড়া, পাবনা, কুষ্টিয়াসহ বিভিন্ন জেলার সবজি আগেভাগে আসতে শুরু করেছে। যে কারণে দাম অনেকটা কমে গেছে।

গত মাসে রাজধানীর বাজারগুলোয় কাঁচা মরিচের দাম ছিল প্রতি কেজি ১০০ থেকে ১২০ টাকা। শুক্রবার ভাসানটেক বাজারে ৫০ থেকে ৬০ টাকায় মিলছে ভালো মানের কাঁচা মরিচ। এ ছাড়া শসা ৩০ টাকা, শালগম ৩০ টাকা, মূলা ৩০ টাকা, পেঁপে ২০ টাকা, বেগুন ৪০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। বাজারে এসেছে দেশি টমেটো। বিক্রি হচ্ছে ৮০ থেকে ৯০ টাকা কেজিতে। আর আমদানি করা ভারতীয় টমেটো বিক্রি হচ্ছে ১০০ টাকায়। তবে দেশি টমেটোর চাহিদা বেশি বলে জানান দোকানিরা।

কচুক্ষেত বাজারে ইলিশ সাজিয়ে রাখা দোকানি দেলোয়ারের কাছে মাছের বাজার কেমন জানতে চাইলে তিনি বলেন, একদম সস্তা, পানির দাম। বাজারে আসা মাঝারি আকৃতির প্রতি জোড়া ইলিশ বিক্রি হচ্ছে হাজার থেকে ১২শ’ টাকায়। শিং মাছ পাঁচশ টাকা, মাঝারি আকারের কৈ মাছ দেড়শ টাকা, বড় আকারের তাজা রুই তিনশ’ এবং মাঝারি আকারের রুই মাছ বিক্রি হচ্ছে আড়াইশ’ কেজি। পাবদা মাছের কেজি বিক্রি হচ্ছে তিনশ’ টাকায়। বাজারে ইলিশ, রুই-কাতল, চিংড়ি, শিং, কই, পাবদা মাছসহ সব ধরনের মাছের পর্যাপ্ত সরবরাহ রয়েছে।

এ ছাড়া পেঁয়াজ-রসুন ও মাংসের বাজার গত কয়েক দিন ধরে স্থিতিশীল রয়েছে বলে জানিয়েছেন বিভিন্ন বাজারের ক্রেতা-বিক্রেতারা। কমেছে ফার্মের ডিম ও ব্রয়লার মুরগির দামও। ব্রয়লার মুরগির দাম ১৪০ টাকা কেজি। পাকিস্তানি মুরগি বিক্রি হচ্ছে ২২০ টাকায়।

Previous
Next