Designed by shamsuddin noman

Skip to Content

হিট তারকার ফ্লপ সন্তান

হিট তারকার ফ্লপ সন্তান

Closed

বিনোদন ডেস্ক ; প্রায় প্রতিবছরই কোন না কোন স্টার কিডের আগমন ঘটে বলিউডে। ফল কী হয়? হাতে গোনা কয়েকজন ছাড়া ফ্লপের তালিকাই লম্বা। ফ্লপের তকমা গায়ে মেখে তারকা সন্তানরা চেষ্টার ত্রুটি করেননি। কিন্তু ভাগ্য যে সহায় হয় না। তেমন কয়েকজনের খোঁজ –

অভিষেক বচ্চন

বলিউডের সবচেয়ে অভাগা স্টার কিড বলা হয় তাকে। বলিউডের শাহেনশাহ অমিতাভ বচ্চন ও জয়া বচ্চনের ছেলের কপাল কখনই খোলেনি। চেষ্টায় কোন ত্রটি রাখেনি এ জীবনে। কিন্তু ভাগ্যরেখা বরাবরই ছিল তার প্রতিকূলে। বলিউডের সব জাদরেল পরিচালক কিংবা নায়িকার সঙ্গে জুটি হয়েছেন। কিন্তু তিনি তো তিনি। এত এত ছবির মধ্যে কিছু ছবি আশার মুখ দেখিয়েছিল। অনেকেই ভরসা পেয়েছিল। হয়তো তিনি কিছু করতে পারবেন। কিন্তু তার ছবি বক্স অফিসে হাসে না। এটা যেন চিরন্তন সত্য এক বানী হয়ে গেছে।

এষা দেওল

বলিউডের খ্যাতিমান তারকা ধর্মেন্দ্র ও হেমা মালিনী কন্যা এশার মধ্যেও অনেকে সম্ভানা দেখেছিলেন। কিন্তু সেই সম্ভাবনা আর প্রত্যাশায় ছাই ঢেলে একটা সময় নেই হয়ে যান বলিউড থেকে। বাবা- মা কম চেষ্টা করেনি তাকে নিয়ে। নিজেরা প্রযোজনা পর্যন্ত করেছেন তাকে নিয়ে। কিছুতেই কাজ হয়নি। বর্তমানে অভিনয় থেকে দূরে আছেন। ঘর সংসার নিয়ে ব্যস্ত আছেন। উল্লেখ্য কিছু হিট ছবির তালিকায় তার নাম থাকলেও সেটা কোন একক কৃতিত্ব নয়।

অধ্যয়ন সুমন

শেখর সুমনের ছেলে অধ্যয়নও এসেছিলেন বেশ আলোচনা তৈরী করে। কপালে জুটেছে ফিল্মফেয়ারে বেষ্ট নিউকামার হিসাবে পুরস্কার। কিন্তু তারপর তার শুধু অধ:গমনই হয়েছে। এখন তো তাকে নিয়ে কোন পরিচালক ভাবেনই না। গুড বাই জানাবেন। সেই অপেক্ষা হয়তো নিজেও করছেন।

মিমো চক্রবর্তী

মিঠুন চক্রবর্তীর ছেলে। এই পরিচয়টা কোন কাজে দেইনি ছেলের। বলিউডে আসার আগে বেশ আলোচিত ছিলেন। নাচ , অভিনয় সব কিছুতেই একাডেমিক কোর্স করেছেন। কিন্তু কিসের কি! বলিউড ছেড়ে কলকাতার ছবি করলেন। সেখানেই নেই হিটের দেখা।

সিকান্দর খের

অনুপম ও কিরণ খেরের ছেলে সিকান্দার খের। সবার ধারনা ছিল আর কিছু না হোক। অভিনয়টা নিখাদ করবেন। ২০০০ সালে ‘উডস্টক ভিলা’ দিয়ে বলিউডে পা রেখেছেন। একক কৃতিত্ব তো নেই ই। সে যে সিনেমায় নাম লিখিয়েছেন। সে ছবিটাই বরং ভারডুবি হয়েছে।

উদয় চোপড়া

একবার না পারিলে দেখো শতবার। তিনি শতবার চেষ্টা করেও সফল হতে পারেননি। বাবা যশ চোপড়া আর ভাই আদিত্য চোপড়া। কারও নামই কাজে আসেনি তার জন্য। নিজেও বেশ কয়েকটি সিনেমা প্রযোজনা করে অভিনয় করেছেন। কিন্তু কোনটাতেই নেই তার সাফল্য। তবে ‘ধুম’ সিরিজে তার কমেডি প্রশংসিত হয়েছে। অবশ্যই ‘ধুম’ সিনেমা হিটের পিছনে তার খুব বেশি কৃতিত্ব নেই। যেমন নেই ‘মহাব্বতিন’ কিংবা ‘মুঝে দোস্তি করোগি’ সিনেমা হিটের পিছনে।

ববি দেওল

তাঁর কপালে যে হিট নেই, সেটা বলা ভুল। কিন্তু আলোচিত হিট নেই তার বাবা ধর্মেন্দ্রর মত। সে হিসাবে ফ্লপের সংখ্যাটাই বেশি। বর্তমানে সিনেমা থেকে দূরে রয়েছেন এ অভিনেতা।

সোহা আলি খান

মা শর্মিলী ঠাকুরের জনপ্রিয়তা এখনও কম নেই। সোহা আলী খানকে একসময় সম্ভাবনাময়ী অভিনেত্রী হিসাবে ভাবা হলেও তিনি আজ হারিয়ে গেছেন। ক্যারিয়ারে ৩৫টির অধিক সিনেমায় অভিনয় করলেও। হাতে গোনা দুয়েকটা সিনেমা ব্যাবসায়িকভাবে সফল হলেও একক কৃতিত্ব কম।

টুইঙ্কেল খান্না ও রিঙ্কি খান্না

বলিউডের সুপারস্টার রাজেশ খান্নার মেয়ে। টুইঙ্কেল কিছুটা নাম করলেও রিঙ্কি আধারেই রয়ে গেছে। টুইঙ্কেল খান্না বারবার চেষ্টা করেও ব্যর্থটা ঘুচছিলো না। একটা সময়ে অভিনয়কে গুডবাই জানান। বর্তমানে অক্ষয়ের ঘরনী হয়ে দিব্যি সময় কাটিয়ে দিচ্ছেন।

তানিশা মুখার্জি

অভিনেত্রী তনুজার মেয়ে কিছু একটা করবেন সবার ভাবনা ছিল। বড় মেয়ে কাজল যেহেতু বলিউডে নাম করেছেন। কিন্তু তিনি বরাবরই ছিলেন ফ্লপের তালিকায়।

ফারদিন খান

ফিরোজ খানের ছেলে হিসাবে তার ভালো নাম ডাক হয়েছিল। কিন্তু ভাগ্যবিধাতা যে বাপকে মানে না। কম কিংবা বেশি বাজেট, সবখানেই তিনি ফ্লপ। সহ অভিনেতা হিসাবে কিছু সিনেমায় ভালো করলেও। সেখানে তার কৃতিত্ব কেউ দিবেনা।

তুষার কাপূর

জিতেন্দ্রর ছেলে তুষারের চেষ্টাও কম হয়নি এ জীবনে। কপাল মন্দ আর কখও ভালো হয়নি। শেষমেষ গোলমাল সিরিজে বোবার চরিত্র করে কিছুটা সুনাম পেয়েছেন।

রিয়া সেন

সুচিত্রা সেনের নাতনী কিংবা মুনমুন সেনের মেয়ে। দুটি পরিচয়ই যথেষ্ট ছিল বলিউডে নিজের অবস্থান গড়ার। কিন্তু কোনটাতেই কোন কাজে দেয়নি। বাংলা হিন্দী দুজায়গাতেই একের পর এক চেষ্টা করেছেন। দুজায়গাতেই তিনি বরাবর ফ্লপ।

সুনীল আনন্দ

বলিউডের এভারগ্রীন অভিনেতা বলা হয় দেব আনন্দকে। তার ছেলে সুনীল আনন্দ। ১৯৮৬তে ‘আনন্দ অউর আনন্দ’ ছবি দিয়ে বলিউডে অভিষেক হয় দেব পুত্রের। কিন্তু দর্শক গ্রহণ করেননি। এরপর আরও চারটি সিনেমায় অভিনয় করেন। কিন্তু সুবিধা করতে পারেননি। পরবের্তীতে নিজের ব্যবসা নিয়ে ব্যস্ত হয়ে পড়েন। শোনা যাচ্ছে সিনেমা পরিচালনায় নাম লেখাবেন তিনি।

রাজীব কাপূর

রাজ কাপুরের ছেলে পর্দায় আসবে। তা নিয়ে আলোচনা কম ছিল না। কিন্তু সব আলোচনায় পানি ঢেলে তিনিও ফ্লপের খাতায় নাম লিখিয়েছেন। রাজীবকে প্রথম পর্দায় দেখা যায় ১৯৮৩ সালে ‘এক জান হ্যায় তুম’ ছবিতে। তাঁর করা ১৪টি ছবির মধ্যে একমাত্র ‘রাম তেরি গঙ্গা মইলি’ ছবিটি হিট করেছিল। বর্তমানে তিনি অভিনয় থেকে দূরে আছেন।

শাদাব খান

আমজাদ খান যিনি বলিউডে গব্বর সিং হিসাবেই পরিচিত। তার অভিষেকটা হয়েছিল রানী মুখার্জির বিপরীতে ‘রাজা কি আয়েগি বারাত’ সিনেমার মাধ্যমে। এরপর আরও দুটি সিনেমায় অভিনয় করলেও নামটা হারিয়েই গেছে। বাপের মুখ উজ্জল করা তো দূরের কথা।

করণ কাপূর

সুপারস্টার শশী কাপূরের ছেলে করণ কাপূরেরও একই দশা। ‘সুলতানাত’ ছবি দিয়ে বলিউডে আগমন ঘটেছে। কিন্তু বাবার ধারেকাছেও যেতে পারেননি। ক্যারিয়ারে পাঁচটি সিনেমায় অভিনয় করেছিলেন। সবগুলোই ছিলো ফ্লপের তালিকায়। তারপর গেল হারিয়ে। প্রায় ২৫ বছর বছর যখন ফিরেছেন। তখন তিনি ফটোগ্রাফার হিসাবে আত্নপ্রকাশ করেছেন। নিজের তোলা ছবিগুলো দিয়ে মুম্বাইয়ে একটা শো করেছিলেন।

আর্য বাব্বর

অভিনেতা-রাজনীতিক রাজ বব্বরের ছেলে আর্যের ইন্ডাস্ট্রিতে আগমন ‘আব কি বরস’ ছবি দিয়ে। এরপর অভিনয় করেছেন আরও ২৫ টির অধিক সিনেমায়। এরমধ্যে বলিউডের বাঘা বাঘা সব পরিচালকের সঙ্গে কাজ করা হয়েছে। কিন্তু সে হিসাবে তার কোন নেই। অভিনয় করেছেন টিভি সিরিয়াল ও পাঞ্জাবি সিনেমাতেও। সেখানেও একই দশা।

Previous
Next