নোয়াখালীনোয়াখালীর খবর

প্রধানমন্ত্রীর ভিডিও কনফারেন্স কোটি মানুষের স্বাস্থ্যসেবা নিয়ে প্রস্তাবনা পেশ করলেন ডিসি তন্ময় দাস

প্রতিবেদক : গতকাল সকালে প্রধানমন্ত্রীর সরকারি বাসভবন গণভবন থেকে চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের সাথে প্রধানমন্ত্রী করোনা বিষয়ে ভিডিও কনফারেন্সে কথা বলেন। প্রধানমন্ত্রীর ভিডিও কনফারেন্সে নোয়াখালী জেলা প্রশাসক, পুলিশ সুপার, সিভিল সার্জন, আব্দুল মালেক উকিল মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের অধ্যক্ষ, নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক, ডাক্তার-নার্স ও জেলা প্রশাসনের অন্যান্য কর্মকর্তারা উপস্থিত থাকলেও উপস্থিত ছিলেন না জেলার কোন সংসদ সদস্য। প্রথমে জেলা প্রশাসক তন্ময় দাস জেলার সামগ্রিক পরিস্থিতি ব্যাখ্যা করে তার বক্তব্য তুলে ধরেন। এতে তিনি সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখতে প্রশাসনের গৃহীত পদক্ষেপসহ নানাবিধ কর্মকাণ্ড তুলে ধরেন। জেলা প্রশাসক তন্ময় দাস তার বক্তব্যে বৃহত্তর নোয়াখালীর কোটি মানুষের পক্ষে স্বাস্থ্য বিষয়ক একটি প্রস্তাবনা প্রধানমন্ত্রীর কাছে তুলে ধরেন। প্রস্তাবনায় জেলা প্রশাসক উল্লেখ করেন, বৃহত্তর নোয়াখালীর অনেক লোক বিদেশে থাকেন, এখানে আব্দুল মালেক উকিল মেডিকেল কলেজ রয়েছে। এই মেডিকেল কলেজে রয়েছে একটি সু-সজ্জিত ল্যাব। এখানে বায়োলজিস্ট রয়েছে ৪ জন। এই মেডিকেল কলেজে দক্ষ মেডিকেল টেকনোলজি রয়েছে। যদি এখানে কোভিড-১৯ পরীক্ষার ব্যবস্থা করা যায় তাহলে জনগণ উপকৃত হবে, আমরা ভাল থাকবো। প্রধানমন্ত্রী জেলা প্রশাসকের এ প্রস্তাবনা মনোযোগ দিয়ে শুনেন এবং তা নোট করেন।
পরে সিভিল সার্জনের বক্তব্যের এক পর্যায়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, এখানে একটি মেডিকেল কলেজ রয়েছে, মেডিকেল কলেজে হাসপাতাল নেই। প্রধানমন্ত্রীর এমন প্রশ্নের জবাবে সিভিল সার্জন শুধু ‘না’ বলে দায়সারা গোচের জবাব দেন। এখানে যে ৫০০ শয্যা বিশিষ্ট হাসপাতাল নির্মাণের জন্য ২০১৮ সালে একনেকের সভায় পাস হলেও সিভিল সার্জন তা প্রধানমন্ত্রীকে অবগত করেননি। কেন বিষয়টি প্রধানমন্ত্রীকে অবগত করেননি নোয়াখালী প্রতিদিনের এমন প্রশ্নের জবাবে সিভিল সার্জন মোমিনুর রহমান জানান, তিনি বিষয়টি জানেন না। সিভিল সার্জন তার বক্তব্যে করোনা মোকাবেলায় ভেন্টিলেটরসহ ১০০ শয্যার অস্থায়ী হাসপাতাল নির্মাণের দাবি জানান।
বিভিন্ন সূত্রমতে, আবদুল মালেক উকিল মেডিকেল কলেজে হাসপাতাল নেই ভিডিও কনফারেন্সে এটা ওঠে আসার পর নড়েচড়ে বসেছে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা। এবার হয়তো বৃহত্তর নোয়াখালীবাসীর ভাগ্য খুলতে পারে। প্রধানমন্ত্রী বলেছে হাসপাতালটি হবে আধুনিক এবং উন্নতমানের। এবার হয়তো খুলতে পারে হাসপাতাল নির্মাণের জট।

Related Articles

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Back to top button
Close