বিশেষ সংবাদ

কক্সবাজারে এনজিও সুন্দরীদের বিয়ে হচ্ছে না, বিদেশীরা ব্যস্ত যৌন কর্মে

ডেক্স রিপোর্ট ;

উখিয়া টেকনাফের এনজিওতে কর্মরত সুন্দরী তরুণীদের কারো বিয়ের প্রস্তাব আসছে না ইঙ্গিত দিয়ে অংখ্য অভিভাবক বলছেন, বিদেশীরা টাকা আর বিলাসিতার প্রলোভনে ধ্বংস করে দিচ্ছে সমাজ। তাদের যৌন কাজে ব্যবহৃত হচ্ছে সহকর্মী চাকুরীজীবি ও ক্যাম্পে অবস্থানরত সুন্দরীরা। সাম্প্রতিক সময়ে বিবিসির অনুসন্ধানেও এই তথ্য উঠে এসেছে। বাদ যাচ্ছে না সংশ্লিষ্ট বিবাহিত নারীরাও। চাকুরীর ক্ষেত্রে কক্সবাজার জেলার যোগ্য প্রার্থীদের বাদ দিয়ে তারা ইচ্ছেমত নিয়োগ ছাটাই করছে প্রতিনিয়ত।
স্বামী স্ত্রী পরিচয়ে কক্সবাজার, উখিয়া, টেকনাফের ভাড়া বাসায় জোড়া জোড়া রাত কাটাচ্ছে অনেক এনজিও কর্মী। ট্রেনিং এর কথা বলে মাসে মাসে তারা সাগর পাড়ের তারকা মানের হোটেলগুলোতে বসায় রসের মেলা। সেখানে দিনে ট্রেনিং রাতে চলে অনৈতিক কারবার। ফলে বিঁষফোড়া রোহিঙ্গা ও ইয়াবা নিয়ে অতিষ্ট কক্সবাজার বাসীর বেদনা বাড়ছে দিন দিন। তারা কিছুতেই বুঝতে পারছেন না মহান আল্লাহ কখন এই অঞ্চলকে রোহিঙ্গা, ইয়াবা এবং এনজিওমুক্ত করবেন(?)
এ অবস্থায় হতাশ কক্সবাজার বাসী দেশ বাঁচাতে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী ও সংশ্লিষ্ট উচ্চ পর্যায়ে তড়িৎ হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন। বলেছেন, ইয়াবা রোহিঙ্গা ও এনজিও শুধু কক্সবাজারের নয় পুরো বাংলাদেশের অভিশাপ। রোহিঙ্গা ক্যাম্পে প্রতিদিন যে হারে শিশু জন্ম হচ্ছে তা দেশের জন্য অশানি সংকেত। সেখান থেকে দেশব্যাপী ছড়িয়ে পড়ছে মরণ ব্যাধি এইডস।
জানা গেছে, এই পর্যন্ত প্রায় আড়াই হাজার এইচআইভি এইডস পজেটিভ পাওয়া গেছে ক্যাম্পে। তাদের মাদক ব্যবসা, হাট-বাজার নিয়ন্ত্রণ, এলাকায় অধিপত্ত বিস্তার, অবৈধভাবে মোবাইল সীম ব্যবহার, খুন, ধর্ষণ, চুরি ছিনতাই, পুলিশের উপর হামলাসহ হরেক দেশদ্রোহী কর্মকান্ড বেসামাল হয়ে পড়ছে। পরিস্থিতি ক্রমশ: অস্থিতিশীল হয়ে উঠেছে।
এনজিও খপ্পরে পড়ে সংসার ত্যাগী এক ব্যক্তি নাম প্রকাশ না করার শর্তে প্রতিবেদককে জানান, দু’সন্তানের সংসারে খেয়ে না খেয়ে এক সময় তারা বেশ ভালই ছিল। রোহিঙ্গা ক্যাম্পে আইএমও নামে একটি সংস্থার আকর্ষণীয় নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি পেয়ে চাকুরীর জন্য স্বামী স্ত্রী দুজনেই আবেদন করে ইন্টারভিউ দেন। কর্তৃপক্ষ উপযুক্ত যোগ্যতা থাকা সত্বেও তাকে চাকুরী না দিয়ে অল্প শিক্ষিত সুন্দরী স্ত্রীকে অধিক বেতনের চাকুরী দেন। এতে নিজের চাকুরী না হলেও স্ত্রীর চাকুরীতে সংসারে শান্তির প্রত্যাশায় তিনি বেশ আনন্দিত হন। অকারণে কোনদিন রাস্তা না দেখা পর্দাশীল গৃহনীটি মাস দু’য়েক স্বামী সংসার নিয়ে বেশ সুখে দিন কাটালেও হতভাগা স্বামী হাউমাউ করে কান্না করে প্রতিবেদককে বলেন, এখন তার স্ত্রী নিয়ন্ত্রণের বাহিরে। চাকুরীর অজুহাতে সকালে বের হলে ফিরেন রাতে। বসদের সাথে চড়েন বিলাসবহুল গাড়ীতে। মাঝে মধ্যে ট্রেনিং এর কথা বলে একদিন গিয়ে তিন দিনেও আসেন না বাড়ীতে। মাসের শেষে বেতনের টাকা কোথায় জিজ্ঞেসতো দূরের কথা কিছু বললেই ছেঁতে উঠেন। স্বামী সন্তান ভুলে নিজেকে নিয়ে ব্যস্ত এক সময়ের অতি সাধারণ গৃহীনিটি এখন কথায় কথায় বলেন ইংরেজী। ফেইসবুক, ম্যাসেঞ্জার আর মুঠোফোনে ব্যস্ত সময় কাটান সারাক্ষণ। বেচারা স্বামী এখন পথহারা ভবঘুরে।
তিনি বলছেন, শুধু তার স্ত্রী নয় এনজিওতে কর্মরত প্রায় প্রত্যেকের স্ত্রীর এখন একই অবস্থা। অবিবাহিত যারা আছেন তারাতো অনেক আগেই পেঁকে গেছেন। আল্লাহই জানেন এদের যারা বিয়ে করবেন সেই স্বামীদের কপালের কথা।
ভুক্তভোগীরা বলছেন মাসে যার নূন্যতম ৫ হাজার টাকা পাওয়ার কথা নয়, তাকে ৪০/৫০ হাজার টাকা বেতন দিয়ে বিদেশী এনজিও কর্তারা ভোগ বিলাসে ব্যস্ততা শেষে একদিন স্বদেশে ফিরে গেলেও কি হবে আমাদের মাÑবোনদের ভবিষ্যৎ!
অতি লোভে তারাতো স্বামী, সংসার, পরিবার, পড়ালেখা সবই বাদ দিয়ে নিজেরাই নিজেদের বোঝা হয়ে দাঁড়াবে! সেদিন তারা ফিরে পাবে কি হারানো সময়, সম্ভ্রম আর সম্মান?
অতএব, বিষয়টি নিয়ে সংশ্লিষ্টদের এখনই ভাবা উচিত। মানব সেবার অজুহাতে এদেশে আসা দাতা সংস্থাগুলো নানা অপকর্মে রোহিঙ্গাদের কেন ইন্দন যোগাচ্ছে? কেনইবা তারা রোহিঙ্গাদের নিজ দেশে ফিরে যেতে বাঁধা দিচ্ছে? তা আমার বোধগম্য নয়।
মাননীয় প্রধানমন্ত্রী আপনিই যোগ্য দেশনেত্রী। মাদক, রোহিঙ্গা, এনজিওর চেয়ে বড় বড় সমস্যা মোকাবেলা করে বাংলাদেশকে আপনি নিয়ে যাচ্ছেন অনেক উঁচু স্থানে। কাজেই আপনিই পারবেন এই সমস্যা থেকে কক্সবাজার তথা পুরো দেশকে মুক্ত করতে। সময় থাকতেই ব্যবস্থা নিন। কক্সবাজারবাসী আপনার কাছ থেকে সেটাই প্রত্যাশা করেন।

লেখক : প্রতিষ্ঠাতা সম্পাদক ও প্রকাশক দৈনিক কক্সবাজারবাণী।

Related Articles

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Back to top button
Close