খেলাধুলা

আইপিএল না খেলায় বড় সুযোগ হারাচ্ছে পাকিস্তানিরা : আফ্রিদি

প্রতিবেদকঃ নিঃসন্দেহে বর্তমান সময়ে বিশ্বের সবচেয়ে জনপ্রিয় এবং জমজমাট ফ্র্যাঞ্চাইজিভিত্তিক টি-টোয়েন্টি টুর্নামেন্ট ইন্ডিয়ান প্রিমিয়ার লিগ। কিন্তু এই টুর্নামেন্টে খেলার অনুমতি নেই পাকিস্তানি খেলোয়াড়দের। অথচ ২০০৮ সালে আইপিএলের প্রথম আসরেও খেলেছিলেন শহিদ আফ্রিদি, শোয়েব আখতার, মিসবাহ উল হক, ইউনিস খান, কামরান আকমলরা।

কিন্তু সে বছরের নভেম্বরে মুম্বাইয়ের হোটেল তাজে হওয়া সন্ত্রাসী হামলার পর থেকে বদলে গেছে সব। আইপিএলের দ্বিতীয় আসর থেকে আর পাকিস্তানি ক্রিকেটারদের খেলার অনুমতি দেয় না আয়োজকরা। সেই হামলার প্রায় এক যুগ পেরিয়ে গেলেও, এখনও আইপিএল খেলার সুযোগ থেকে বঞ্চিত পাকিস্তানি ক্রিকেটাররা।

আর এতে করে আইপিএলের মতো বড় মঞ্চে নিজেদের মেলে ধরা সুযোগ হারাচ্ছেন পাকিস্তানের খেলোয়াড়রা- এমনটাই মনে করেন পাকিস্তানের সাবেক অধিনায়ক শহীদ আফ্রিদি। তার মতে, আইপিএল খেললে বড় বড় তারকাদের সঙ্গে একই ড্রেসিংরুমে খেলার অভিজ্ঞতা পেতো পাকিস্তানিরা। এছাড়া কঠিন চাপের মুখে লড়াইয়ের শিক্ষাটাও পেত তারা।

করোনাভাইরাসের কারণে আইপিএলের ১৩তম আসরটি হচ্ছে আরব আমিরাতে। ২০০৯ সালে নিজেদের দেশে শ্রীলঙ্কা ক্রিকেট দলের ওপর বোমা হামলার পর থেকে আমিরাতকেই হোমগ্রাউন্ড বানিয়ে নিয়েছে পাকিস্তান। অথচ সেখানে হওয়া আইপিএলেও নেই কোনো পাকিস্তানি ক্রিকেটার। এতে করে বড় সুযোগ হাতছাড়া হচ্ছে পাকিস্তানিদের, এমনটাই মূল্যায়ন আফ্রিদির।

আরব নিউজকে দেয়া সাক্ষাৎকারে আফ্রিদি বলছেন, ‘অবশ্যই আইপিএল অনেক বড় একটা ব্র্যান্ড। বাবর আজম কিংবা অন্য কোনো পাকিস্তানি ক্রিকেটারদের জন্য এটা অনেক দারুণ একটা সুযোগ হতে পারতো, যেখানে চাপের মুখে খেলা এবং ড্রেসিংরুমে বড় তারকাদের উপস্থিতিতে থাকতে পারতো। তাই আমার মতে, আইপিএল না খেলায় অনেক বড় সুযোগ হারাচ্ছে পাকিস্তানিরা।’

তবে আইপিএলে খেলার সুযোগ না মিললেও, ভারতে বড় সমর্থকগোষ্ঠি রয়েছে পাকিস্তানি ক্রিকেটারদের। আফ্রিদি নিজেও জানেন সেটি এবং সবসময়ই ভারতীয় ভক্তদের প্রশংসা করে থাকেন তিনি। ভারতের মাটিতে খেলা সবসময়ই উপভোগ করেছেন বলে জানিয়েছেন আফ্রিদি।

তিনি বলেন, ‘ভালোবাসা সবসময়ই সবকিছুর ঊর্ধ্বে। কোনো সন্দেহ নেই ভারতে খেলা সবসময়ই উপভোগ করেছি আমি। ভারতের মানুষের কাছ থেকে যেই ভালোবাসা এবং সম্মান পেয়েছি আমি; তা সবসময়ই আমাকে উদ্বেলিত করে। এমনকি এখনও সোশ্যাল মিডিয়ায় ভারতের মানুষের কাছ থেকে এখন অনেক বার্তা পেয়ে থাকি, তাদের সঙ্গে কথা বলি। আমি বিশ্বাস করি, ভারতে আমার অভিজ্ঞতা সত্যিই দুর্দান্ত।’

Related Articles

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Back to top button
Close