খেলাধুলা

মোহামেডানে জৌলুস ফেরাতে চান সাকিব

অনলাইন ডেস্ক ;

গত বছর যখন ঢাকা প্রিমিয়ার লিগ (ডিপিএল) শুরু হয়েছিল মোহামেডান স্পোর্টিং ক্লাব তখন আলোচনার বাইরে। বছর ঘুরে সেই লিগই যখন টি২০ সংস্করণে মাঠে গড়াচ্ছে সাদাকালো শিবিরে তখন নতুন স্বপ্ন। ক্লাবটির নির্বাচিত নতুন পরিচালনা পর্ষদ এবং সাকিব আল হাসানের দলে যোগ দেওয়ায় পরিবেশটাই পাল্টে গেছে।

শনিবার বায়োসিকিউর বাবলে সীমিত পরিসরে দল পরিচিতি অনুষ্ঠানের প্রধান আকর্ষণ সাকিব একদিকে মোহামেডান সমর্থক ও খেলোয়াড় হিসেবে তুলে ধরলেন নিজেরই ক্লাবকে। এক যুগের শিরোপা খরা কাটানোর প্রতিশ্রুতিও দিলেন অধিনায়কের দায়িত্ব কাঁধে তুলে নিয়ে। মোহামেডানের এই স্থায়ী সদস্যের (সাকিব) কথায় ফুটে উঠেছে দায়িত্বের বিষয়টিও। তিনি চান ক্রিকেটের মতো অন্য খেলাগুলোতেও সেরা দল বানাতে ক্লাব ম্যানেজমেন্ট। ঐতিহ্যবাহী ক্লাবটিতে ফিরবে পুরোনো জৌলুস।

এক বছর আগে যখন ডিপিএলে দলবদল হয় সাকিব তখন আইসিসির নিষেধাজ্ঞায়। এক রাউন্ড পরই করোনার কারণে লিগের খেলা স্থগিত হয়ে যাওয়ায় বছরান্তে কপাল ফিরল বাঁহাতি এ অলরাউন্ডারের। কিছুদিন আগেই বিশেষ ব্যবস্থায় দলবদল করে নাম লেখান মোহামেডানে। নিষেধাজ্ঞা পরবর্তীতে নেতৃত্বেও ফেরা হচ্ছে তার। আর দলের নেতৃত্ব কাঁধে তুলে নিয়ে চ্যাম্পিয়নশিপ জয়ের ছকও করে ফেলেছেন তিনি, ‘আমাদের প্রথম লক্ষ্য প্রথম ম্যাচ জেতা। যেহেতু একের পর এক খেলা এবং টি-টোয়েন্টিতে ধারাবাহিকতা ধরে রাখা খুব গুরুত্বপূর্ণ। আমরা প্রথম ম্যাচে ছন্দ পেয়ে গেলে এবং সেটা ধরে রাখতে পারলে ভালো হবে।’

সদ্যই জাতীয় দলের খেলা শেষ করে ক্লাব ক্রিকেটের বায়োসিকিউর বাবলে উঠেছেন সাকিবরা। দলগুলো অনুশীলনেও নেমে পড়েছে গতকাল থেকে। ডিপিএলের টি২০ আসরটি মোহামেডানের মতো সাকিবের জন্যও খুবই গুরুত্বপূর্ণ। ঘরোয়া লিগ দিয়েই ছন্দে ফিরতে হবে তাকে। শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে তিনটি ওয়ানডে খেলে ১৯ রান (১৫, ০, ৪) আর তিন উইকেট তার। বিশ্বের অন্যতম সেরা অলরাউন্ডারের সঙ্গে যেটা যায় না। সাকিব নিজেও স্বীকার করলেন সেটা, ‘যেটা আমি আশা করেছি সেটা অবশ্যই হয়নি। এটা হতেই পারে। তবে নিশ্চিত করতে হবে পরেরবার যেন এরকম না হয়।’

আইপিএলে লোয়ার অর্ডারে ব্যাটিং পেলেও জাতীয় দলে টি২০ সংস্করণে তিন নম্বরের ব্যাটসম্যান সাকিব। মোহামেডানে তার ব্যাটিং অর্ডার নিয়ে জানতে চাওয়া হলে কৌশলী উত্তর দেন, ‘আমার কাছে সব সময় মনে হয় দলের জন্য যেটা করা যায় এবং যেটা করলে দলের ভালো হবে সেটাই করব। সেটার জন্য তিন-চার-পাঁচ-ছয়, ১১ নম্বর হলেও কোনো সমস্যা নেই।’

শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে নিজে ভালো না করলেও সিরিজ জয়ে গর্বিত বাঁহাতি এ অলরাউন্ডার বলেন, ‘আমার তো মনে হয় খুবই ভালো ফল। প্রথমবার আমরা শ্রীলঙ্কার সঙ্গে সিরিজ জিতলাম। অবশ্যই ৩-০ ব্যবধানে জিততে পারলে ভালো হতো। তবে শ্রীলঙ্কা তাদের সেরা ক্রিকেটটা খেললে রেজাল্ট অন্যদিকেও যেতে পারত। আমি মনে করি, যে সিরিজটি হয়েছে সেটা নিয়ে সবারই গর্বিত হওয়া উচিত এবং এখান থেকে আরও সামনে যাওয়া উচিত।’

Related Articles

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Back to top button
Close